ব্যুরো নিউজ, ৩ আগস্ট ২০২৬ঃ উত্তরাখণ্ডের ঋষিকেশে গঙ্গার উপর গড়ে উঠেছে ভারতের প্রথম গ্লাস ফ্লোর ক্যাবল সাসপেনশন ব্রিজ, বজরং সেতু। পর্যটক ও দর্শনার্থীদের কাছে এটি এখন অন্যতম আকর্ষণ। ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মণঝুলার কাছাকাছি অবস্থিত এই কাঁচের মেঝে যুক্ত সেতুটি তপোবনকে পৌড়ি গঢ়ওয়ালের জঙ্ক এলাকার সঙ্গে যুক্ত করেছে। দেশের এই অন্যতম গ্লাস স্কাইওয়াকটি দিয়ে হাঁটলে নীচে প্রবহমান গঙ্গাকে দেখা যায়, যা এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি দেয়।
এই রোমাঞ্চ উপভোগ করার জন্য উত্তরাখণ্ড সরকার প্রবেশ মূল্য বা টিকিট চালু করেছে। বজরং সেতুর দৈর্ঘ্য ১৩২ মিটার এবং এটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৭০ কোটি টাকা। সেতুর মাঝের অংশটি কংক্রিট দিয়ে তৈরি, যা সাধারণ মানুষ নিত্য যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন এবং এর জন্য কোনো ফি দিতে হয় না। তবে দুই ধারের কাঁচের মেঝে যুক্ত পথটিতে যেতে কাটতে হবে আলাদা টিকিট।
বর্তমানে সরকার অনুমোদিত ফি সিস্টেম অনুযায়ী, দু’ঘন্টার জন্য প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রবেশ মূল্য ১০০ টাকা এবং শিশুদের প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা। কাঁচের ওয়াকওয়েটি সকাল ৬টা থেকে রাত দশটা অবধি খোলা থাকে, তবে কংক্রিটের মাঝের অংশটি ২৪ ঘণ্টা চলাচলের জন্য খোলা রাখা হয়। বজরং সেতু ঋষিকেশের তপোবন এলাকায় অবস্থিত। হরিদ্বার এবং দেরাদুন থেকে সড়কপথে সহজেই এখানে পৌঁছানো যায়। নিকটতম প্রধান রেল স্টেশন হল ঋষিকেশ রেল স্টেশন এবং নিকটতম বিমানবন্দর দেরাদুনের জলি গ্রান্ট বিমানবন্দর। ঋষিকেশ থেকে ট্যাক্সি, অটো-রিকশা বা অন্যান্য স্থানীয় পরিবহনের মাধ্যমে লক্ষ্মণ ঝুলা এবং তপোবন এলাকায় সহজেই পৌঁছানো যায়।








