ব্যুরো নিউজ, ১৩ অক্টোবর ২০২৬: বালুচিস্তানে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ করার অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি নুশকি ও কেচ জেলা থেকে পাঁচজন ব্যক্তিকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১৭ বছর বয়সী একজন ট্রাক কন্ডাক্টরও আছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় মহিলারা টারবাটে ফ্রন্টিয়ার কর্পসের ক্যাম্পের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন এবং নিখোঁজ দুই ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা।
বালুচিস্তান পোস্টের খবর অনুযায়ী, নুশকিতে এফসি চেকপোস্টের কাছে ১৭ বছর বয়সী মুহাম্মদ আদিলকে আটক করা হয়। এছাড়া এফসি, আইএসআই এবং কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্টের কর্মীরা খান নামের এক ব্যক্তিকে তাঁর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। নুশকির কিল্লি বাট্টো এলাকা থেকে ২৩ বছর বয়সী শাই মুরিদ জামালদিনিকেও এফসি কর্মীরা তুলে নিয়ে গেছে। টারবাটের নাসিরাবাদ এলাকা থেকে দুই ব্যবসায়ী মাজার ও আসিমকেও তাঁদের দোকান থেকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নিখোঁজদের পরিবার তাঁদের সম্পর্কে কোনো তথ্য পাননি।
কোয়েটা প্রেস ক্লাবের বাইরে বালুচ মিসিং পার্সনসের প্রতিবাদ শিবির চলছে প্রায় ৬,৩৮৬ দিন ধরে। এই প্রতিবাদ নিখোঁজদের পরিবারের নিরন্তর সংগ্রামের প্রতীক। বিবি শাহিনা নামের এক মহিলা তাঁর ছেলে কামরান খানের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা জানিয়েছেন, যাকে ২০১৬ সালের ১ই এপ্রিল কোয়েটার কিল্লি কাশ্মীরাবাদ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরিবারকে মুক্তির আশ্বাস দেওয়া হলেও, ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও তাঁর সম্পর্কে কোনো খবর মেলেনি।
এই ঘটনাগুলি বালুচিস্তানে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দ্বারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরছে।








