ব্যুরো নিউজ, ২ জুন ২০২৬ঃ বিয়ের পর সুখের সংসারের স্বপ্ন দেখেছিলেন তরুণী, কিন্তু সেই সংসারই পরিণত হয়েছিল নরকে। উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে এক গৃহবধূকে প্রায় দশ মাস ধরে ঘরে ও শৌচাগারে আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, দিনের পর দিন তাঁকে কাঁচা চাল, পেঁয়াজ ও লঙ্কা খাইয়ে রাখা হয়েছে। এমনকি গোপনাঙ্গেও নৃশংস অত্যাচার চালানো হয় বলে জানা গেছে।
এই ঘটনায় স্বামী রাহুল খাণ্ডুরি এবং তাঁর বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। অভিযোগকারী তরুণীর বাবা জানিয়েছেন, প্রায় দু’বছর আগে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। গত বছরের জুলাই মাস থেকে তরুণীকে একটি ঘর ও শৌচাগারের মধ্যেই কার্যত বন্দি করে রাখা হয়েছিল। স্বামী কর্মসূত্রে দিল্লিতে থাকলেও ছুটিতে বাড়ি ফিরলে তিনিও স্ত্রীর উপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন বলে অভিযোগ। শ্বশুর-শাশুড়িও নিয়মিত মারধর করতেন। তরুণীর বাবার দাবি, মেয়েকে বেঁচে থাকার জন্য কাঁচা চাল, পেঁয়াজ এবং কাঁচালঙ্কা দেওয়া হত। দীর্ঘদিনের অত্যাচারে তাঁর মানসিক অবস্থার উপরও গুরুতর প্রভাব পড়েছে।
বৃদ্ধ আরও জানান, মেয়েকে নর্দমার পাইপ, লোহার রড, চেয়ার এবং মেঝে পরিষ্কারের সরঞ্জাম দিয়ে মারধর করা হত। বোতল ও লাঠি দিয়ে গোপনাঙ্গে আঘাত করা হত বলেও অভিযোগ। নৃশংসতা এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে ওই তরুণীর মাথার চুল জোর করে টেনে উপড়ে ফেলা হয়েছিল। গত দশ মাস ধরে তরুণীকে নিজের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি। সেলাকুই থানায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।








