ব্যুরো নিউজ, ৩ নভেম্বর ২০২৬: ধনতেরাসের উৎসবের মুখে সোনা ও রুপোর দামে বড়সড় পতন ক্রেতাদের কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে এই দামের পতন মানেই যে ভবিষ্যৎতে দাম আর বাড়বে না, এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। আন্তর্জাতিক বাজার, সুদের হার, ডলারের অবস্থান এবং টাকার বিনিময়মূল্যের মতো বিষয়গুলো আগামী দিনে সোনার দামের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করবে। তাই ৬ নভেম্বর ধনতেরাসে সোনা, রুপো, গয়না নাকি ডিজিটাল সোনা—কোনটিতে বিনিয়োগ করা লাভজনক হবে, তা নিয়ে হিসেব কষছেন অনেকেই।
সম্প্রতি মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে রুপোর দামে প্রায় ৩ শতাংশ পতন দেখা গেছে। কেজিতে ৫১৫৫ টাকা কমে রুপোর ভবিষ্যৎ দর দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬২৪ টাকা। এর আগে অক্টোবর মাসেও বাজারে বড়সড় সংশোধন হয়েছিল, যেখানে রুপোর দর প্রায় ২০ শতাংশ এবং সোনার দর প্রায় ৭ শতাংশ কমেছিল। বিয়ে, উপহার বা দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের জন্য যারা সোনা কিনতে চান, তাদের কাছে দাম কমার এই পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তিদায়ক। তবে একদিনের দরপতন দেখে সোনাকে সস্তা ভেবে কেনাকাটায় ঝাঁপানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, সুদের হার, মার্কিন ডলারের অবস্থান এবং টাকার বিনিময়মূল্য—সবকিছুর প্রভাব দেশের বাজারে পড়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, টাকার সঙ্গে ডলারের বিনিময়মূল্য এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার উপরও দেশের বাজারে সোনা-রুপোর দাম নির্ভর করবে। বাজারের গতিপ্রকৃতি পুরোপুরি স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত একবারে সব টাকা বিনিয়োগ না করে ধাপে ধাপে কেনাকাটা করলে দামের ওঠানামার ঝুঁকি সামলানো সহজ হতে পারে।








