ব্যুরো নিউজ, ২৫ আগস্ট ২০২৬: ঘরোয়া বাজারে চিনির অগ্নিমূল্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্র সরকার আরও কড়া পদক্ষেপ করল। ইতিমধ্যেই চিনির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা সাধারণ মানুষের পকেটে চাপ সৃষ্টি করছে। এই অবস্থায় কালোবাজারি ও মজুতদারি রুখতে ‘ট্যারিফ রেট কোটা’ (টিআরকিউ)-র অধীনে আমদানিকৃত অপরিশোধিত চিনিকে সাদা বা পরিশোধিত চিনিতে রূপান্তর করে দু’মাসের মধ্যে দেশের বাজারে বিক্রি করার নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
এর আগে নিয়ম ছিল, আমদানিকৃত চিনি ২০২৬ সালের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে হবে। সেই সময়সীমা সংশোধন করে এবার সুনির্দিষ্টভাবে দুই মাসের সময় বেঁধে দেওয়া হল, যা ২৪ আগস্ট বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করেছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হল আমদানিকৃত অপরিশোধিত ও পরিশোধিত চিনি মজুত করা বা কালোবাজারি রোধ করা। এর পাশাপাশি, বাজারে চিনির সরবরাহ বৃদ্ধি করে দাম নিয়ন্ত্রণ করা এবং সাধারণ উপভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়াও এই পদক্ষেপের অন্যতম উদ্দেশ্য। কেন্দ্র আগেই শুল্কমুক্ত ১০ লক্ষ টন শর্করা আমদানির অনুমতি দিয়েছিল, যা চিনির যোগান বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হয়েছিল।
তবে, নতুন এই শর্তাবলী কার্যকর হলে বাজারে চিনির যোগান আরও দ্রুত বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে, যা দাম নিয়ন্ত্রণে আরও বেশি সহায়ক হবে। নরম পানীয় ও আইসক্রিম প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির মতো বিপুল পরিমাণ চিনি ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলির উপরও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে, যাতে তারা দ্রুত আমদানিকৃত চিনি প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে ছাড়তে বাধ্য হয়। এই পদক্ষেপের ফলে চিনির মূল্যবৃদ্ধি কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছে সরকার।








