নিউজ ব্যুরো,19 জুন 2026, দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর একাধিক অবস্থানে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলি বাহিনী। এই হামলা চালানো হয় চার ইজরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই, যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
দীর্ঘদিন ধরেই ইজরায়েল ও লেবাননের সীমান্ত এলাকায় হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইজরায়েলের সংঘাত চলে আসছে।ইজরায়েলের সামরিক বাহিনীর বিবৃতি থেকে জানা যায়, তাদের সেনারা লেবানন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় টহল দেওয়ার সময় হিজবুল্লাহর অতর্কিত রকেট ও মর্টার হামলার শিকার হন। এই হামলায় চারজন ইজরায়েলি সেনা প্রাণ হারান এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইজরায়েল স্পষ্ট করে দেয় যে, তারা এর কঠোর প্রতিশোধ নেবে। এর পরেই লেবাননের অভ্যন্তরে হিজবুল্লাহর সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা শুরু হয়। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (IDF) মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর অস্ত্রাগার, সামরিক পরিকাঠামো, কমান্ড সেন্টার এবং রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলি সুনির্দিষ্টভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই হামলার পর এক বিবৃতিতে বলেন, “আমাদের সেনাদের ওপর যে কোনো হামলার জবাব আমরা অত্যন্ত কড়া ভাষায় দেব এবং আমাদের দেশের সুরক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর।”
সাম্প্রতিক সময়ে গাজা উপত্যকায় ইজরায়েল-হামাস সংঘাতের আবহে এই উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে হিজবুল্লাহ হামাসের সমর্থনে ইজরায়েলের দিকে রকেট নিক্ষেপ করে আসছে। আন্তর্জাতিক মহল থেকে উভয় পক্ষকে সংযম বজায় রাখার এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আলোচনায় আসার আহ্বান জানিয়েছেন । তবে ইজরায়েল স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এবং সেনাদের ওপর হামলা হলে তারা কোনোভাবেই চুপ করে থাকবে না। এই ঘটনা আঞ্চলিক শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।







