ককরোচ বিক্ষোভে মহিলা সাংবাদিকদের যৌন হেনস্তা: বিস্ফোরক রাহুল, দিল্লি পুলিশের জবাবদিহি চাইলেন

যন্তর মন্তরে ককরোচ বিক্ষোভে মহিলা সাংবাদিকদের যৌন হেনস্তার অভিযোগ রাহুলের। দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে অমিত শাহের জবাবদিহি চাইলেন।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৪ অক্টোবর ২০২৬: কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী সম্প্রতি যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ চলাকালীন মহিলা সাংবাদিকদের যৌন হেনস্তার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন।

তাঁর দাবি, গত শুক্রবার এই বিক্ষোভে তিন জন মহিলা সাংবাদিক পুলিশ কর্মীদের হাতে হেনস্তার শিকার হয়েছেন। এই গুরুতর অভিযোগের তির সরাসরি দিল্লি পুলিশের দিকে। গোটা ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে দ্রুত জবাবদিহি চেয়েছেন রাহুল গান্ধী, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে রাহুল লেখেন, “এক মহিলা সাংবাদিক যন্তর মন্তরে এক পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলেছেন। শত শত সাংবাদিক এফআইআরের দাবি করেছেন। এটি কি পুলিশের মৌলিক দায়িত্ব নয়? অথচ তারা সেই কাজটুকুও করেনি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মহিলা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে, তাঁদের ক্যামেরা কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং সাংবাদিকদের টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাহুল গান্ধী এই ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন বলে মনে করেন না, তাঁর মতে, এর আগেও পুলিশ কর্মীদের হাতে মহিলাদের হেনস্তা হতে দেখা গেছে, যা পুলিশের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

এই বিতর্কের আবহে মুখ খুলেছে দিল্লি পুলিশ। তাদের এক্স হ্যান্ডলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গত ২৬ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন তিন মহিলা সাংবাদিক পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। পুলিশ তাঁদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করেছে এবং একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে।

এই ঘটনায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, যা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।