পিএনবি-র কারেন্সি চেস্টে ১৭ কোটি টাকার জাল নোট, ম্যানেজার ধৃত; নেপাল যোগের তদন্তে এনআইএ

পিএনবি-র কারেন্সি চেস্টে ১৭.২৯ কোটির জাল নোট উদ্ধারের ঘটনায় ম্যানেজার গ্রেফতার। এনআইএ খতিয়ে দেখছে নেপাল যোগ ও বৃহত্তর চক্রের ভূমিকা। সুরক্ষিত ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় জাল নোট কীভাবে ঢুকল?

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬: রাষ্ট্রায়ত্ত পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের (PNB) কারেন্সি চেস্ট থেকে ১৭ কোটি ২৯ লক্ষ টাকার জাল নোট উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় এনআইএ (NIA) তদন্ত শুরু করেছে এবং জগাধরী কারেন্সি চেস্টের ম্যানেজার অমিত কুমারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এটি কেবল কয়েকজন ব্যাঙ্ককর্মীর বিচ্ছিন্ন কারসাজি নয়, বরং একটি বৃহত্তর চক্রের কাজ হতে পারে।

সাধারণত জাল নোট পাচারকারী বা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে উদ্ধার হলেও, এবার সরাসরি ব্যাঙ্কের সুরক্ষিত ভল্টে এমন বিপুল পরিমাণ জাল নোট মেলায় প্রশ্ন উঠেছে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে। কীভাবে এই জাল নোট ব্যাঙ্কের অর্থ সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রবেশ করল এবং তার কতটা ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছে গেছে, তা খতিয়ে দেখছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। এনআইএ সূত্রে খবর, এই ঘটনার সঙ্গে নেপালের যোগ থাকতে পারে। তিন জন ব্যাঙ্ক আধিকারিকের নাম সামনে এসেছে, যাঁদের মধ্যে সিনিয়র ডিভিশনাল ম্যানেজার রবি কুমার কানসে এবং সোফিয়া মার্কেট কারেন্সি চেস্টের ম্যানেজার সুশীল কুমারও রয়েছেন। তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং দেশ ছেড়ে পালানোর আশঙ্কায় লুকআউট নোটিস জারি হয়েছে।

তদন্তে ১১১ কোটি টাকার একটি নোটের চালান নিয়েও সন্দেহ দানা বেঁধেছে, যা সাহারানপুর থেকে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের জয়পুর দফতরে পাঠানো হয়েছিল। এই চালানের প্রস্তুত ও পাঠানোর দায়িত্বে এক অস্থায়ী হাউসকিপিং কর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এনআইএ এই চক্রের মূল হোতাদের চিহ্নিত করতে এবং জাল নোটের উৎস ও বিতরণ ব্যবস্থা উন্মোচন করতে বদ্ধপরিকর।