১০ বছরে ১৫২টি প্রশ্নফাঁস: শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চাইলেন রাহুল

প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ চাইলেন রাহুল গান্ধী। ১০ বছরে ১৫২টি প্রশ্নফাঁস, শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের অভিযোগ তাঁর।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২২ জুলাই ২০২৬ : লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ফের সরব হয়েছেন। সম্প্রতি দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনার আবহে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেছেন। বুধবার নয়াদিল্লিতে কংগ্রেস সদর দপ্তরে সাংবাদিক বৈঠক করে রাহুল অভিযোগ করেন, গত ১০ বছরে দেশে ১৫২টি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, অর্থাৎ গড়ে প্রতি মাসে একটি করে প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছে।

তাঁর দাবি, এই ঘটনাগুলি দেশের কোটি কোটি পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নষ্ট করেছে। রাহুল গান্ধী শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ ও ‘অযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তাঁর অপসারণ দাবি করেন। তিনি বলেন, মোদী জমানায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থা তিলে তিলে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে এবং ধর্মেন্দ্র প্রধান এই বিশৃঙ্খলার প্রতীক। প্রশ্নফাঁসের ঘটনাগুলিতে এখনও পর্যন্ত কোনও দোষীর শাস্তি না হওয়ায় তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। শিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়েও সরব হন রাহুল। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে শিক্ষা গরিব ও মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে।

শুধু NEET কোচিংয়েই বছরে প্রায় ১.৩২ লক্ষ কোটি টাকা খরচ হয়, যা কেন্দ্রীয় সরকারের বার্ষিক শিক্ষা বাজেটের প্রায় সমান। এই ব্যবস্থায় কেবল ধনীরাই সুযোগ পাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। ছাত্র আন্দোলনে লাঠিচার্জের ঘটনারও তীব্র নিন্দা করেন রাহুল, যেখানে বহু ছাত্রছাত্রী আহত হয়েছিলেন। তিনি প্রশ্নফাঁসের ঘটনাগুলির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।