ব্যুরো নিউজ, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই দেশের ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) নাম নথিভুক্ত হওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ঘিরে ফের নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় পূর্বে একটি মামলা হলেও, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত সোনিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। তবে সোমবার দ্বারকার বিশেষ আদালত রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের সেই রায়কে বাতিল করে দিল। বিচারপতি বিশাল গোগনের পর্যবেক্ষণ, পূর্ববর্তী রায়টি ছিল ‘যুক্তিহীন এবং ত্রুটিপূর্ণ’ যা আইনত সিদ্ধ নয়।
অতীতেও সোনিয়ার ভোটার তালিকায় ‘অবৈধভাবে’ নাম তোলা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কম চাপানউতর হয়নি। বিজেপির আইটি সেলের তৎকালীন সর্বভারতীয় প্রধান অমিত মালব্য দাবি করেছিলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভোটার তালিকায় সোনিয়ার নাম তোলা হয়েছিল। তাঁর বক্তব্যের স্বপক্ষে তিনি ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকায় সোনিয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। মালব্য যুক্তি দেন, ১৯৬৮ সালে রাজীব গান্ধীর সঙ্গে বিবাহ হলেও সোনিয়া ভারতীয় নাগরিকত্ব পান ১৯৮৩ সালে। তাহলে ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম কীভাবে থাকতে পারে, সেই প্রশ্ন তুলে গোটা বিষয়টি যাচাই করার দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। দ্বারকা আদালতের এই নতুন নির্দেশের ফলে কংগ্রেস সভানেত্রীর উপর চাপ বাড়ল এবং এই পুরনো অভিযোগের নতুন করে তদন্তের পথ খুলে গেল।








