ব্যুরো নিউজ, ৭ আগস্ট ২০২৬ঃ পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র চার মাস বাকি। এই আবহে রাজনৈতিক দলগুলি জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। এই ডামাডোলের মাঝেই শুক্রবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন শিরোমণি আকালি দলের প্রধান সুখবীর সিং বাদল। এই বৈঠক ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, অতীতের সব অভিমান ভুলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের এনডিএ জোটে ফিরতে পারে আকালি দল। যদিও এই বিষয়ে কোনও পক্ষই এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে মুখ খুলতে রাজি নয়, তবে কানাঘুষো চলছেই।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সাল থেকে আকালি দল এনডিএ-র গুরুত্বপূর্ণ শরিক ছিল। পাঞ্জাব রাজ্য তো বটেই, দিল্লিতে এনডিএ সরকার গঠনেও তাদের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। কিন্তু ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে কেন্দ্র সরকারের কৃষি আইনকে ঘিরে শুরু হওয়া কৃষক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিজেপি এবং আকালি দলের দীর্ঘদিনের সম্পর্কে ছেদ পড়ে। এরপর ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দুই দলই আলাদাভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। সেই নির্বাচনে পাঞ্জাবের ক্ষমতা দখল করে আম আদমি পার্টি, যা দুই দলের জন্যই ছিল এক বড় ধাক্কা।
সম্পর্কের সেই টানাপোড়েনের পর শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সুখবীর সিং বাদলের এই সাক্ষাৎ স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবে আবারও জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে বিজেপি এবং আকালি দল। এই সম্ভাব্য জোট পাঞ্জাবের রাজনৈতিক সমীকরণকে নতুন মাত্রা দিতে পারে এবং আগামী দিনের ভোটের লড়াইয়ে এক নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ফলাফল কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।








