ব্যুরো নিউজ, ৭ আগস্ট ২০২৬ঃ থাইল্যান্ডের নং বুয়া লাম্ফু প্রদেশের উথাই সাওয়ান জেলার একটি ডে-কেয়ার সেন্টারে এক নারকীয় হামলায় বহু শিশুসহ অন্তত ৩৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া ফেলেছিল। জানা যায়, হামলাকারী একজন প্রাক্তন পুলিশকর্মী, যার নাম পান্যা খামরাব। মাদকাসক্ত হওয়ার কারণে তাকে পুলিশ বাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তদন্তে উঠে আসে যে, এই ভয়াবহ হামলা চালানোর আগে আততায়ী নিজের ঠাকুমা ও দাদুকে নৃশংসভাবে খুন করেছিল। এরপর সে একটি বন্দুক ও ছুরি নিয়ে ডে-কেয়ার সেন্টারে প্রবেশ করে এবং ঘুমন্ত শিশুদের নির্বিচারে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে।
এই হামলায় ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মী ও অন্যান্য প্রাপ্তবয়স্করাও নিহত হন। রক্তাক্ত তাণ্ডব চালানোর পর পান্যা খামরাব ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ তাকে তার বাড়িতে মৃত অবস্থায় খুঁজে পায়। জানা যায়, সে নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে খুন করার পর নিজেও আত্মঘাতী হয়েছিল। এই ঘটনা থাইল্যান্ডের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং মাদকাসক্তির সামাজিক প্রভাব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এমন নৃশংসতার কারণ খুঁজতে প্রশাসন ও সমাজবিজ্ঞানীরা গভীর তদন্তে নেমেছিলেন। এই ঘটনা থাইল্যান্ডের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে মানুষের মনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে।








