অভিষেকের চিঠির পরই ক্রীড়ামন্ত্রীকে ‘আগ বাড়িয়ে’ সাফাই সৌরভের, সিএবিতে দুর্নীতির প্রশ্ন

অভিষেক ডালমিয়ার চিঠির পর সিএবিতে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নিজে ক্রীড়ামন্ত্রীকে সাফাই দিলেন। প্রশ্ন উঠছে, কেন এই আগ বাড়িয়ে পদক্ষেপ?

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১৭ জুন ২০২৬ঃ বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রে ফের দুর্নীতির ছায়া? সম্প্রতি ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ-কে চিঠি দিয়ে এক স্বনামধন্য ক্রীড়া সংস্থায় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন সিএবির প্রাক্তন সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া। যদিও তিনি কোনও নির্দিষ্ট সংস্থার নাম উল্লেখ করেননি, তবে ময়দানের অন্দরে অনেকেই মনে করছেন তাঁর নিশানায় ছিল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি)। এই চিঠির প্রেক্ষিতেই এবার ‘আগ বাড়িয়ে’ সাফাই দিতে দেখা গেল সিএবিকে। বুধবার সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নিজে ক্রীড়ামন্ত্রীর হাতে একটি চিঠি তুলে দেন।

সেই চিঠিতে সিএবি দাবি করেছে, তাদের সমস্ত কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা বজায় থাকে এবং গত ৩০ বছর ধরে সংস্থার বিরুদ্ধে এমন কোনও অভিযোগ ওঠেনি। বাংলার ক্রিকেটের স্বার্থেই তারা কাজ করে। অভিষেকের পত্রবাণের জেরেই এই চিঠি পাঠানো হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়। তবে প্রশ্ন উঠছে, অভিষেকের চিঠিতে সিএবির নাম না থাকা সত্ত্বেও কেন সংস্থা নিজে থেকে সাফাই গাইতে গেল? এই পদক্ষেপ কি ‘ঠাকুরঘরে কে? আমি তো কলা খাইনি’ প্রবাদবাক্যকেই মনে করিয়ে দিচ্ছে? ময়দানের একাংশের মতে, দুর্নীতি না থাকলে আগ বাড়িয়ে সাফাইয়ের প্রয়োজন কী?

এই ঘটনায় সিএবির ‘দুর্নীতি’ই কি প্রকাশ্যে চলে এল, সেই প্রশ্নও উঠছে। এছাড়াও, সিএবির চিঠিতে যুগ্মসচিবের পদ থেকে সরানো মদনমোহন ঘোষের ‘প্রাক্তন’ হিসাবে সই করা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সরকারি চিঠিতে প্রাক্তন পদাধিকারীর সই করার এক্তিয়ার থাকে কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সব মিলিয়ে, অভিষেকের একটি চিঠিকে কেন্দ্র করে বঙ্গ ক্রিকেটে এখন জোর তরজা। ক্রীড়ামন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।