ব্যুরো নিউজ, ১লা জুলাই ২০২৬ঃ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল ইংল্যান্ড। এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গোকে ২-১ গোলে হারাল থ্রি লায়ন্সরা। জোড়া গোল করে দলের ত্রাতা হয়ে উঠলেন অধিনায়ক হ্যারি কেন। একটা সময় ফুটবলপ্রেমীরা ধরেই নিয়েছিলেন, এবারের বিশ্বকাপে আরও একটি অঘটন ঘটতে চলেছে। তবে কেনের ম্যাজিকে সেই আশঙ্কা দূর হল। ম্যাচের শুরুতেই অবশ্য চমক দেখায় কঙ্গো।
সাত মিনিটেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে এগিয়ে যায় আফ্রিকার দেশটি। এই গোল ইংল্যান্ডের ঘুমন্ত রক্ষণকে যেন দাঁড় করিয়ে রেখেছিল। ব্রিটিশ দর্পের সামনে ইবোলায় জেরবার ছোট্ট দেশটি বুক চিতিয়ে লড়েছিল। ফেভারিটদের তালিকায় থাকা ইংল্যান্ড সম্ভবত কঙ্গোকে ধর্তব্যের মধ্যেই রাখেনি, যার ফলস্বরূপ প্রথমার্ধে তাদের গাছাড়া মনোভাব স্পষ্ট ছিল। একের পর এক ভুল পাস এবং গোলকিপার লিওনেল এমপাসির অনবদ্য সেভে আটকে যায় ব্রিটিশ আক্রমণ। অন্তত তিনটি নিশ্চিত গোল বাঁচান এমপাসি।
দ্বিতীয়ার্ধে কোচ টমাস টুখেলের মাস্টারস্ট্রোক, বুকায়ো সাকা এবং অ্যান্থনি গর্ডনকে নামানোয় খেলার মোড় ঘুরতে শুরু করে। শেষ আধঘণ্টায় আগ্রাসী ভঙ্গিতে রক্ষণ শুরু করলেও, কঙ্গোর প্রতিরোধ ধীরে ধীরে ভাঙতে শুরু করে। অবশেষে ৭৫ মিনিটে কেনের হেডে সমতা ফেরায় ইংল্যান্ড। এই গোলের পর যেন হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় দল। স্বমহিমায় ফিরে এসে নিজের জাত চেনাতে শুরু করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
৮৬ মিনিটে কেনের দ্বিতীয় গোল ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ের ফলে ইংল্যান্ড শেষ ষোলোয় পৌঁছালেও, বিশ্বকাপের মঞ্চে কঙ্গোর রূপকথার দৌড় শেষ হল। তাদের লড়াকু মানসিকতা এবং অনবদ্য পারফরম্যান্স ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছে।








