ব্যুরো নিউজ, ৫ জুলাই ২০২৬ঃ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ব্রাজিল তারকা ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে দেখা যাচ্ছে এক নতুন রূপে। চার ম্যাচে চার গোল করে গ্রুপ পর্ব থেকে রাউন্ড অফ ৩২ পর্যন্ত নজরকাড়া পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন তিনি। মাঠে অযথা ঝামেলায় জড়ানো বা প্রতিপক্ষের সঙ্গে বচসার প্রবণতাও কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। এতদিন জাতীয় দলের হয়ে তাঁর পারফরম্যান্স রিয়াল মাদ্রিদের মতো উজ্জ্বল ছিল না বলে সমালোচনা ছিল। তবে মার্কিন মুলুকের ফুটবল-যুদ্ধে তিনি এখন নেইমারের অনুপস্থিতিতে দলের সেনাপতি।
ভিনিসিয়াসের এই ভোলবদলের কৃতিত্ব অনেকেই কোচ কার্লো আন্সেলোত্তিকে দিলেও, এর নেপথ্যে রয়েছেন মনোবিদ মারিসা সান্তিয়াগো। আন্সেলোত্তি নিজেও মারিসার ভূমিকার কথা স্বীকার করেছেন। পেশায় মনোবিদ মারিসা ক্রীড়াবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর এবং কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপিতে বিশেষজ্ঞ। তিনি ফুটবলারদের মানসিক চাপ কমানো ও পারফরম্যান্স উন্নত করার দিকে নজর দেন। ব্রাজিল শিবিরে তাঁর আগমনের পর থেকেই ভিনিসিয়াস সহ অন্যান্য ফুটবলারদের মধ্যে মাঠে শান্ত ও মনোযোগী থাকার প্রবণতা বেড়েছে। আন্সেলোত্তি বলেছেন, “মারিসা আমাদের সঙ্গে দারুণ কাজ করছেন। এখন আমাদের ফুটবলাররা অনেক বেশি শান্ত এবং মনযোগী।”
মরক্কোর বিরুদ্ধে ড্রয়ের পর সমালোচনায় জর্জরিত দলকে মানসিকভাবে চাঙা করতে মারিসার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। তিনি ফুটবলারদের বলেছিলেন, “পারফরম্যান্স ভালো হলে প্রশংসা হবে, খারাপ হলে সমালোচনা। পারফরম্যান্সের দিকেই মন দিতে হবে।” এই মন্ত্রই ব্রাজিল দলের মানসিকতা বদলে দিয়েছে। মারিসার কাজ শুধু মানসিক সমস্যা খুঁজে বের করা নয়, পারফরম্যান্সের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলা। বিশ্বকাপে ব্রাজিলের পারফরম্যান্সেই তার প্রমাণ।








