ব্যুরো নিউজ, ১৭ জুন ২০২৬ঃ অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে রাজ্যজুড়ে চলা জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফলতার সরকারি অনুষ্ঠান থেকে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন এবং কারা পাবেন না।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, যে সমস্ত পরিবারের সন্তানরা সরকারি বা সরকার পোষিত স্কুলে পড়াশোনা করে, তাদের অভিভাবকরা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাবেন। বেসরকারি স্কুলের ক্ষেত্রেও টাকা মিলবে, তবে শর্ত হল সেই স্কুলকে অবশ্যই সরকার অনুমোদিত হতে হবে। তবে, যে সমস্ত বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় বা ভারত বিরোধী কথা শেখানো হয়, সেই স্কুলের পড়ুয়াদের অভিভাবকরা এই প্রকল্পের টাকা পাবেন না। কারণ, এই ধরনের পড়াশোনা মূল ধারার অন্তর্ভুক্ত নয়।
এছাড়াও, করোনা অতিমারীর সময় যারা সরকারি টিকা গ্রহণ করেননি, তাদেরও এই ভাতা দেওয়া হবে না বলে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী জানান, আগের সরকারের আমলে এই ধরনের প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছিল। মুর্শিদাবাদে ৪,৫০০-এর বেশি পুরুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছিলেন, যা অনিয়মের ইঙ্গিত দেয়। সেই কারণেই বর্তমান সরকার সতর্ক হয়ে আবেদনকারীদের বাছাই করছে। ইতিমধ্যেই এক কোটিরও বেশি আবেদনপত্র জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।
আবেদনপত্রে পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি যাচাই করার জন্য যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্য, যেমন জমির পরিমাণ, সন্তানের স্কুলের নাম, কোভিড টিকা সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার ফলে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে তৈরি হওয়া বহু প্রশ্নের উত্তর মিলল। সরকার চাইছে স্বচ্ছতার সঙ্গে যোগ্য উপভোক্তাদের কাছে এই প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে।








