ব্যুরো নিউজ, ৮ জুলাই ২০২৬: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে উত্তাল বাংলার বুকে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটল। মঙ্গলবার ভোরে পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হল এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাশ মণ্ডল।
পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য তাকে সূর্যপুরের অপরাধস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। রাত প্রায় ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বারুইপুর থানার তদন্তকারী অফিসার ও তার দল অভিযুক্ত প্রভাশকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুনর্নির্মাণ শুরু হওয়ার ঠিক আগেই প্রভাশ মণ্ডল একজন পুলিশ কর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশ বাহিনীর দিকে এক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে প্রভাশ গুরুতর আহত হয়। তাকে সঙ্গে সঙ্গে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৪ জুলাই ১২ বছর বয়সী এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়। সে এক বন্ধুর জন্য উপহার কিনতে বাইরে গিয়েছিল। পরে রবিবার সূর্যপুর হাট এলাকার একটি পুকুর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
ময়নাতদন্তে জানা যায়, তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তাকে ধর্ষণের পর জীবন্ত অবস্থায় পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তার ফুসফুস ও পাকস্থলীতে জল পাওয়া গিয়েছিল, যা জলে ডুবে ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যুর ইঙ্গিত দেয়। এই নৃশংস ঘটনায় রাজ্যজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযুক্ত প্রভাশ মণ্ডলকে সিসিটিভি ফুটেজে নাবালিকাটির সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। বাংলায় ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে অভিযুক্তের এনকাউন্টারে মৃত্যু এই প্রথম। এই ঘটনায় বারুইপুর জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।








