বসিরহাটের বাগানে ফলছে বিরল বিদেশি আম, মিয়াজাকি থেকে চিয়াংমাই, দাম আকাশছোঁয়া!

বসিরহাটের বাগানে এখন ফলছে বিশ্বের বিরল ও দামি বিদেশি আম, যেমন মিয়াজাকি, চিয়াংমাই। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করে অধিক লাভ করছেন বাগান মালিকরা।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১৮ই মে ২০২৬ঃ জৈষ্ঠ্য মাস মানেই বাঙালির কাছে আমের মরসুম। হিমসাগর, ল্যাংড়া, ফজলি – এই চেনা নামগুলোই এতদিন বাঙালির আমের তালিকায় স্থান পেত। তবে এবার সেই চেনা গণ্ডি পেরিয়ে বাংলার মাটিতেই ফলছে বিশ্বের সব নামীদামী ও বিরল প্রজাতির বিদেশি আম। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের এক নার্সারিতে এখন মিয়াজাকি থেকে শুরু করে চিয়াংমাই-এর মতো বিলাতি আমের ফলন ধরেছে। এক যুবকের হাত ধরে বসিরহাটের প্রত্যন্ত গ্রামে তৈরি হচ্ছে এই বিদেশি আমের একচেটিয়া বাজার।

রিপোর্ট অনুযায়ী, শাহরুখ নামের ওই বাগান মালিকের বিশেষ বাগানে বর্তমানে প্রায় ১৫ থেকে ২০টি প্রজাতির বিদেশি ও উচ্চমানের আম ফলন হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মিয়াজাকি, যা বিশ্বের সবথেকে দামি আম হিসাবে পরিচিত। এই জাপানি আমটি তার গাঢ় লাল রং এবং অসাধারণ স্বাদের জন্য বিখ্যাত। এছাড়াও রয়েছে থাইল্যান্ডের বিশেষ জাতের চিয়াংমাই ও চাকাপাত, যেগুলি আকারে বিশাল এবং মিষ্টি সুবাসযুক্ত। ব্ল্যাক স্টোন ও রেড পালমারের মতো বিরল বিদেশি আমও এই বাগানে দেখা যাচ্ছে। সাধারণত দেশি আমগাছে এক বছর ভালো ফলন হলে পরের বছর ফলন কমে যায়।

কিন্তু থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম বা চিনের এই উন্নত প্রজাতির আমগাছগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে প্রায় দীর্ঘ সময় ধরে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে ফলন পাওয়া যায়, যা অধিক লাভের পথ খুলে দেয়। শাহরুখ জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এই আমগুলির গুণগত মান ও স্বাদের কারণে এগুলির দাম আকাশছোঁয়া, যার ফলে ভারতের বাজারেও এই আম ও তার কলমের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।