ব্যুরো নিউজ, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মালদহের ভূতনি চরে ভয়াবহ ভাঙন ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও ৫ কোটি টাকা আর্থিক বরাদ্দ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাক্ষুসে গঙ্গার গ্রাসে প্রতি বছরই একটু একটু করে নিশ্চিহ্ন হচ্ছে ভূতনির উপকূলবর্তী এলাকা। এবছর পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে, বহু মানুষ মাথার ছাদ হারিয়েছেন, তাঁদের ঘরবাড়ি জলের তলায়। অসহায় বাসিন্দারা মাথা গুঁজেছেন বিভিন্ন সরকারি ত্রাণ শিবিরে। পেটের জ্বালা মিটছে সরকারি ত্রাণেই, তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ গভীর।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজ্যের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের একটি দল আকাশপথে ভূতনির ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সরজমিনে পরিদর্শন করে। এই দলে ছিলেন রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি রাজেশ সিনহা-সহ চার দায়িত্বপ্রাপ্ত শীর্ষ আধিকারিক। তাঁরা ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ‘পরিস্থিতি উদ্বেগজনক’ বলে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। প্রশাসনিক আধিকারিকরা মনে করছেন, আগামী শুক্রবার থেকে ভূতনিতে জলস্তর কমতে পারে, যা কিছুটা স্বস্তি আনবে। গোটা পরিস্থিতির উপর ২৪ ঘণ্টা নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী।
রাজ্যের সেচ দপ্তর এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী নিরন্তর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। ভূতনির পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে দফায় দফায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে এবং দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের পথ খুঁজতে সরকার বদ্ধপরিকর। এই অতিরিক্ত ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ ভূতনির অসহায় মানুষের পুনর্বাসন ও ত্রাণ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে এই পরিস্থিতির তদারকি করছেন।








