ব্যুরো নিউজ, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বিধানসভার অধিবেশনে দুর্গাপূজা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, দুর্গাপূজা কমিটিগুলিকে অবশ্যই ‘দুর্গাপূজা’ শব্দটি ব্যবহার করতে হবে, ‘শারদোৎসব’ নয়। যারা ‘শারদোৎসব’ শব্দটি ব্যবহার করে পুজো প্রাঙ্গণে বইয়ের স্টল দিতে আসবেন, তাদের একটিও স্টল করতে দেওয়া হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া বার্তা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, একদল তথাকথিত বামপন্থী অধ্যাপক ছদ্মবেশে হিন্দু ও সনাতন ধর্মবিশ্বাসের ওপর আঘাত হানছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন কপালে তিলক, মাথায় শিখা বা গেরুয়া বসন পরিধানকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে টার্গেট করা হবে? বামপন্থীরা সনাতন ধর্মকে কেবল একটি ‘সাংস্কৃতিক’ বিষয় মনে করে বলেই ‘দুর্গাপূজা’র বদলে ‘শারদোৎসব’ ব্যবহার করতে স্বচ্ছন্দ, এমনটাই দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলায় নকশাল আন্দোলন থেকে শুরু করে কমিউনিস্টদের রোপণ করা এই দেশবিরোধী চিন্তাভাবনার বীজ উপড়ে ফেলার এটাই উপযুক্ত সময়।
এই লড়াইয়ে সরকার ও রাজ্যবাসী যে পিছপা হবে না, সে কথাও তিনি স্পষ্ট করে দেন। সিপিএমের শাসনকালকে নিশানা করে তিনি অভিযোগ করেন, গরিব মানুষের টাকা মেরে রাজ্য জুড়ে প্রায় আড়াই হাজার পার্টি অফিস বানিয়েছিল সিপিএম এবং নিজেদের গুষ্টিকে সরকারি চাকরি পাইয়ে দিয়েছিল। কেবল ১৫ বছর নয়, ৩৪ বছরের অনিয়মের তালিকা বের করে পূর্ণাঙ্গ হিসাব নেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। ‘শারদোৎসব’ বলে দুর্গাপূজাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার এই মানসিকতার চিরতরে শেষ দেখতে চান বলেও তিনি জানিয়ে দেন।








