ব্যুরো নিউজ, ২৫ জুলাই ২০২৬ : রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন ফেলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কালিয়াগঞ্জ ও কাকদ্বীপের দুটি চাঞ্চল্যকর ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এক আইপিএস অফিসার-সহ মোট পাঁচজন পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। শনিবার বিধানসভা অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কথা জানান এবং বলেন যে স্বরাষ্ট্র দপ্তর এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। তাঁর এই ঘোষণা রাজ্যের প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে এক ছাত্রীকে শারীরিক অত্যাচার করে খুনের ঘটনা, যার দেহ পরবর্তীকালে পুকুরে ভেসে ওঠে।
এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছিল এবং জনমনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাটি হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের সূর্যনগরে মা কালীর মূর্তি প্রিজন ভ্যানে তোলার বিতর্কিত বিষয়টি। এই ঘটনাটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভাবাবেগে চরম আঘাত হেনেছিল বলে অভিযোগ ওঠে এবং বিভিন্ন মহল থেকে এর তীব্র নিন্দা করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, “বিশেষত মা কালীকে যেভাবে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়েছে তা সনাতন ধর্মের আস্থার প্রতি সরাসরি আঘাত।”
তাঁর মতে, এই ধরনের ঘটনা রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা কমিয়েছে। তিনি আরও বলেন, “এদের ব্যবস্থা হবে, আরও অন্যায়ের প্রতিকার হবে। আমার উপর আস্থা রাখুন।” মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া বার্তা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশের স্বচ্ছতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশ করছে। এই পদক্ষেপগুলি ভবিষ্যতে পুলিশি কার্যকলাপে আরও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২৫ জুলাই, ২০২৬ তারিখে এই খবর আপডেট করা হয়েছে।








