লক্ষ্মী ভাণ্ডার ও অন্নপূর্ণা যোজনার ফারাক বোঝালেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, দুর্নীতিতে শ্বেতপত্র প্রকাশের ঘোষণা

অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বিধানসভায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও অন্নপূর্ণা যোজনার পার্থক্য বোঝালেন। তিনি জানান, অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকৃত অভাবীদের জন্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ছিল সর্বজনীন। দুর্নীতিতে শ্বেতপত্র প্রকাশের ঘোষণা।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৫ জুন ২০২৬ : রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে সবপক্ষকে একজোট হয়ে কাজ করার বার্তা দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বিধানসভায় বাজেট ঘোষণার জবাবি ভাষণে বিগত জমানার আর্থিক বেনিয়মকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, খুব শীঘ্রই রাজ্যের প্রতিটা দপ্তরে অর্থনৈতিক দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরে শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হবে। ক্যাগ প্রতিটি দপ্তরের আর্থিক দুর্নীতি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট সামনে আনবে।

নতুন সরকারের ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ ও তৃণমূল সরকারের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের ফারাকও এদিন বিধানসভায় বুঝিয়ে দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ছিল ইউনিভার্সাল। ধনী-দরিদ্র সবাই টাকা পেতেন। কিন্তু আমাদের অন্নপূর্ণা যোজনা যাঁর সত্যিই দরকার, তাঁরাই পাবেন।” এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চাইলেন যে অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকৃত অভাবী মানুষের জন্য, যেখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ছিল সর্বজনীন।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্যের আর্থিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বিগত সরকারের আর্থিক অনিয়মগুলির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি কোষাগারের অপচয় রোধ করে জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিতে সঠিক উপায়ে অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে। রাজ্যে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ প্রসঙ্গেও এদিন তৃণমূল সরকারকে বিঁধেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। তিনি বলেন, বিগত সরকার কর্মচারীদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করেছে। বর্তমান সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং কর্মচারীদের দাবি পূরণের চেষ্টা করবে।