ব্যুরো নিউজ, ৪ জুলাই ২০২৬ঃ আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) নেতা হুমায়ুন কবীর বিতর্কিত মন্তব্য সংক্রান্ত একটি মামলায় অবশেষে রেজিনগর থানায় হাজিরা দিলেন। শনিবার সকাল সাড়ে এগারোটার আগেই তিনি থানায় পৌঁছন। থানায় প্রবেশের আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন কবীর জানান, যদি তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়, তাহলে আরও ১০০ থেকে ১২০ জন স্বেচ্ছায় গ্রেপ্তার হবেন। এই মর্মে একটি তালিকাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে যে, তিনি কি বিতর্কিত মন্তব্য মামলায় নিজের গ্রেপ্তারির আশঙ্কা করছেন? দীর্ঘদিন ধরেই হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ উঠছিল এবং এই সংক্রান্ত একটি মামলা চলছিল। সেই মামলার সূত্রেই তাঁকে রেজিনগর থানায় তলব করা হয়েছিল। তাঁর হাজিরা এবং গ্রেপ্তারির সম্ভাবনার কথা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দলের কর্মী-সমর্থকরাও থানার বাইরে ভিড় জমিয়েছিলেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হুমায়ুন কবীরের এই হুঙ্কার একদিকে যেমন তাঁর দৃঢ় মনোভাবের প্রকাশ, তেমনই অন্যদিকে এটি দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে একতার বার্তা দেওয়ারও একটি কৌশল। এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এবং হুমায়ুন কবীর সত্যিই গ্রেপ্তার হন কিনা, সেদিকেই এখন সকলের নজর। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হচ্ছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনার জেরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিতর্কিত মন্তব্য মামলায় রেজিনগর থানায় হাজিরা হুমায়ুন কবীরের, গ্রেপ্তারি নিয়ে হুঙ্কার
Share:
ব্যুরো নিউজ, ৪ জুলাই ২০২৬ঃ আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) নেতা হুমায়ুন কবীর বিতর্কিত মন্তব্য সংক্রান্ত একটি মামলায় অবশেষে রেজিনগর থানায় হাজিরা দিলেন। শনিবার সকাল সাড়ে এগারোটার আগেই তিনি থানায় পৌঁছন। থানায় প্রবেশের আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন কবীর জানান, যদি তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়, তাহলে আরও ১০০ থেকে ১২০ জন স্বেচ্ছায় গ্রেপ্তার হবেন। এই মর্মে একটি তালিকাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে যে, তিনি কি বিতর্কিত মন্তব্য মামলায় নিজের গ্রেপ্তারির আশঙ্কা করছেন? দীর্ঘদিন ধরেই হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ উঠছিল এবং এই সংক্রান্ত একটি মামলা চলছিল। সেই মামলার সূত্রেই তাঁকে রেজিনগর থানায় তলব করা হয়েছিল। তাঁর হাজিরা এবং গ্রেপ্তারির সম্ভাবনার কথা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দলের কর্মী-সমর্থকরাও থানার বাইরে ভিড় জমিয়েছিলেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হুমায়ুন কবীরের এই হুঙ্কার একদিকে যেমন তাঁর দৃঢ় মনোভাবের প্রকাশ, তেমনই অন্যদিকে এটি দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে একতার বার্তা দেওয়ারও একটি কৌশল। এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এবং হুমায়ুন কবীর সত্যিই গ্রেপ্তার হন কিনা, সেদিকেই এখন সকলের নজর। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হচ্ছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনার জেরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
পুজো পেরোলেই পুরভোট, কলকাতার দায়িত্বে সুকান্ত, হাওড়ার রাহুল, রণকৌশল সাজাচ্ছে বিজেপি
টুলু মণ্ডলের ২০০ কোটির সাম্রাজ্য মুর্শিদাবাদেও! তদন্তে প্রবীর-সেহগালের যোগসূত্র
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশযাত্রায় রাজ্যের আপত্তি খারিজ, সুপ্রিম কোর্টের শর্তেই মিলল হাইকোর্টের সবুজ সংকেত
নিয়োগ দুর্নীতি: ‘রেট চার্ট’ ফাঁস! গ্রুপ সি, ডি চাকরির দাম বেঁধেছিল পার্থরা, দাবি ইডির চার্জশিটে
সর্বশেষ সংবাদ
ফুটপাথবাসিনীকে বাসস্থানের আশ্বাস দিলেন শুভেন্দু অধিকারী, সল্টলেকে মুখ্যমন্ত্রীর জনতা দরবারে হাজির সীতাদেবী
বারুইপুরে বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার দলের সাসপেন্ডেড নেতা-সহ ৪
প্রাক্তন বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে কাঠমিস্ত্রিকে মারধরের অভিযোগ, বেহালা থানায় দায়ের হল মামলা
রাম মন্দিরের অনুদান চুরি ফাঁস, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা, সুপ্রিম কোর্টে শুনানি আজ