ব্যুরো নিউজ, ৪ জুন ২০২৬ঃ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে প্রত্যাহার করা হল নওদার বিধায়ক তথা আমজনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) নেতা হুমায়ুন কবীরের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা। সোমবার সন্ধ্যায় হুমায়ুনকে মেল মারফত এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। নির্দেশ পাওয়ার পরই একে একে তাঁর নিরাপত্তায় নিযুক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা চলে যান। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হুমায়ুন কবীর, যিনি এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য, নতুন দল গঠনের পর নিরাপত্তার অভাবে হুমায়ুন কবীর আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আদালতের নির্দেশেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে তাঁকে ওয়াই-প্লাস কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর নিরাপত্তায় নিযুক্ত ছিলেন ১৩ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, যার মধ্যে একজন ইন্সপেক্টর, একজন সাব ইন্সপেক্টর এবং ১১ জন কনস্টেবল ছিলেন। বিশেষত, ভোটের সময় তাঁর নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছিল, যা এখন সম্পূর্ণভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে। অমিত শাহের দপ্তর থেকে এই নির্দেশ আসায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।
হুমায়ুন কবীর প্রশ্ন তুলেছেন, কেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বা আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল না, অথচ তাঁর নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হল? তিনি এই সিদ্ধান্তকে পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন এবং এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার দাবিতে বৃহস্পতিবার ফের আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন হুমায়ুন। পাশাপাশি, তাঁকে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তারক্ষী পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়েছে। তবে হুমায়ুন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ফিরে পেতে বদ্ধপরিকর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে এবং শাসক-বিরোধী তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।








