দিল্লিতে বাম-তৃণমূল ঘনিষ্ঠতা, অন্ধকারে বঙ্গ সিপিএম: আলিমুদ্দিনে অস্বস্তি

দিল্লিতে কেরল সিপিএম ও তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অস্বস্তিতে বঙ্গ সিপিএম। আলিমুদ্দিনকে অন্ধকারে রেখেই ইন্ডিয়া জোটে নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৭ অক্টোবর ২০২৬: দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে, যা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে বাংলার সিপিএম নেতৃত্ব। আলিমুদ্দিনকে অন্ধকারে রেখেই কেরল সিপিএমের সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে বলে খবর।

জাতীয় রাজনীতির স্বার্থে দিল্লিতে বাম ও তৃণমূলের এই কাছাকাছি আসা বঙ্গ সিপিএমের কাছে অপ্রত্যাশিত। দীর্ঘ দেড় দশক ধরে বাংলায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র লড়াই চালিয়ে আসছে বামেরা। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির ক্ষমতার অলিন্দে তৈরি হওয়া এই নয়া সমীকরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আলিমুদ্দিন।

জানা গিয়েছে, দিল্লিতে কেরল ঘনিষ্ঠ সিপিএম নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্রের যোগাযোগ ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও বঙ্গ সিপিএম বরাবরই রাজ্যে তৃণমূলের সঙ্গে কোনওরকম জোট বা সমঝোতার ঘোর বিরোধী। তাদের মতে, বাংলায় বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য তৃণমূলের সঙ্গে হাত মেলানো সম্ভব নয়।

কিন্তু দিল্লির এই নতুন সমীকরণ কি বাংলার রাজনীতিতে সিপিএমের অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে? এই প্রশ্নই এখন আলিমুদ্দিনের অন্দরে ঘুরপাক খাচ্ছে। এক সময় সিপিএমের বঙ্গ নেতৃত্ব ও কেরল শিবিরের মধ্যে দলের নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক ক্ষমতা নিয়ে বিরোধ ছিল। এখন সেই সমীকরণে যোগ হয়েছে তৃণমূলের সংসদীয় নেতৃত্বের একাংশ। বঙ্গ সিপিএম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, দিল্লির রাজনীতির স্বার্থে বাংলায় নিজেদের অবস্থান বদলানো হবে না।

আলিমুদ্দিনের প্রশ্ন, দিল্লিতে এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক যোগাযোগ তৈরি হলেও কেন বঙ্গ নেতৃত্বকে অন্ধকারে রাখা হচ্ছে? এই ঘটনা বামফ্রন্টের অন্দরেও নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।