স্পিকারের স্বীকৃতিতে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত, খুলল তাঁর ঘর

স্পিকারের স্বীকৃতিতে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়কের সমর্থন দাবি। খুলল তাঁর অফিস।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৩ জুন ২০২৬ঃ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকার রথীন্দ্র বসুর অনুমোদনের পর তাঁর জন্য খুলে দেওয়া হল বিধানসভার নির্দিষ্ট ঘর। ঋতব্রত জানিয়েছেন, তৃণমূলের মোট ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ প্রায় ৬০ জন বিধায়ক তাঁকে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, তাঁরাই বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং শাসক বিজেপির সঙ্গে চোখে চোখ রেখে লড়াই করবেন। নতুন পরিষদীয় দলে মুখ্যসচেতক করা হয়েছে আখরুজ্জামানকে।

ডেপুটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহা। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই সমস্ত বিধায়কদের সমর্থনের চিঠি বিধানসভার স্পিকারকে জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের পরিষদীয় দলের পরামর্শদাতা হওয়ার আবেদনও জানিয়েছেন। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের কোনো সম্পর্ক নেই বলে স্পষ্ট করেছেন ঋতব্রত। উল্লেখ্য, বিধানসভায় সই জাল করার অভিযোগ ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে ফাটল চওড়া হয়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাব পাঠালেও, ঋতব্রত ও সন্দীপনই সই জাল করার বিষয়টি স্পিকারকে জানান। এরপরই সিআইডি তদন্ত শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে স্পিকারের স্বীকৃতিতে ঋতব্রতের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠী বিধানসভায় নতুন শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল। তাঁরা দায়িত্বশীল ও সদর্থক বিরোধীর ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার করেছেন।