শিয়ালদহ স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড: জলের অভাবের অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন ডিআরএম, শুরু চাপানউতোর

শিয়ালদহ স্টেশনে খাবারের দোকানে আগুন। জলের অভাব ও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থার ত্রুটি নিয়ে দমকলের অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন ডিআরএম। তদন্তের নির্দেশ।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৩১ আগস্ট ২০২৬ : শিয়ালদহ স্টেশনের একটি খাবারের দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ফের একবার শহরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং রেল কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের তিনটি ইঞ্জিন এবং যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়।

তবে দমকল আধিকারিকদের অভিযোগ, স্টেশন চত্বরের পাইপলাইন থেকে এক ফোঁটাও জল পাওয়া যায়নি। বাধ্য হয়ে দমকলের নিজস্ব জল ব্যবহার করে আগুন নেভাতে হয়েছে, যা আগুন নেভানোর প্রক্রিয়াকে অনেকটাই ধীর করে দেয় এবং কাজ  আরও কঠিন করে তোলে। এছাড়াও, ওই খাবারের দোকানে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা আদৌ যথাযথ ছিল কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, গত বছরও এই একই দোকানে আগুন লেগেছিল, যা বর্তমান ঘটনার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই একই দোকানে বারবার আগুন লাগার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনার পর শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিআরএম রাজীব সাক্সেনা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। দমকলের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে খারিজ করে দিয়েছেন তিনি।

ডিআরএমের দাবি, বিষয়টি খতিয়ে না দেখে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয় এবং তিনি দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সম্প্রতি তারাপীঠ এবং নিউ মার্কেটে বড়সড় দুটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে মোট ১৮ জনের প্রাণহানি হয়। এই প্রেক্ষাপটে শিয়ালদহ স্টেশনের অগ্নিকাণ্ড এবং দমকল-রেল কর্তৃপক্ষের মধ্যে অভিযোগ ও তা নস্যাৎ করার পালা জনমনে গভীর উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, এত বড় স্টেশনে অগ্নি নির্বাপণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা কেন নেই? রেলের পক্ষ থেকে দ্রুত এবং স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।