বিদ্রোহী সাংসদদের পদ খারিজের আবেদন: সুপ্রিম কোর্টে শুনলই না অভিষেকের আর্জি, হতাশ তৃণমূল

বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের পদ খারিজের দাবিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন শুনল না সুপ্রিম কোর্ট। স্পিকারের সময়সীমা নিয়ে অনিশ্চয়তা, হতাশ তৃণমূল।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৭ অক্টোবর ২০২৬: বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের পদ খারিজের দাবিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির জন্য উঠলই না। ফলে লোকসভার স্পিকারকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার যে আর্জি জানানো হয়েছিল, তা আপাতত অধরাই রইল। শীর্ষ আদালতের এই সিদ্ধান্তে তৃণমূল শিবিরে স্পষ্টতই হতাশা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটি তালিকাভুক্ত থাকলেও, কার্যক্রমে সেটি শুনানির পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

এর ফলে ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতা আরও বাড়ল। কবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে, সে বিষয়েও এদিন কোনও নির্দিষ্ট তারিখ জানানো হয়নি।

সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী, দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদদের অযোগ্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব স্পিকারের। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মূল আবেদন ছিল, স্পিকার যেন দ্রুত এই ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিষ্পত্তি করেন। তৃণমূলের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট সাংসদরা অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দলত্যাগ করেছেন। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট এই সাংসদদের নোটিস পাঠিয়েছিল, কিন্তু স্পিকারের জন্য কোনও সময়সীমা বেঁধে দেয়নি। মঙ্গলবারও শীর্ষ আদালত একই অবস্থানে থাকায় স্পিকারের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আপাতত অন্য কোনও উপায় নেই। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য জোর দিলেও, আদালতের এই পদক্ষেপ তাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা। এখন সব পক্ষের নজর পরবর্তী শুনানির দিকে, যেখানে হয়তো এই বিষয়ে নতুন কোনও মোড় আসতে পারে।