ব্যুরো নিউজ, ১২ জুলাই ২০২৬ঃ রাজ্যের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বাড়াতে একগুচ্ছ নতুন পরিকল্পনার কথা জানালেন মন্ত্রী তাপস রায়। তিনি জানান, পূর্বতন সরকারের ভুল নীতির কারণে রাজ্যে ‘ব্রেন ড্রেন’ ও পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণভাবে শিল্প-বান্ধব এবং ইতিমধ্যেই নতুন জমি নীতির খসড়া তৈরি হয়ে গেছে। জমি চিহ্নিতকরণের পাশাপাশি স্পেশাল ইকোনমিক জোন (SEZ) নিয়েও ইতিবাচক চিন্তাভাবনা চলছে। শিল্পপতিদের সুরক্ষায় সোমবার থেকেই রাজ্যে কড়া ‘গুন্ডা দমন আইন’ কার্যকর হচ্ছে বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা জোগাবে।
তাপস রায় পূর্বতন সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “আগের সরকার আমাদের জন্য কিছুই রেখে যায়নি। না ছিল সঠিক ল্যান্ড পলিসি, না ল্যান্ড ব্যাংক, আর না কোনও বাস্তবসম্মত ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি।” তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন যে, পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলি যখন আকর্ষণীয় ইনসেন্টিভ দিচ্ছে, তখন বাংলায় ‘ইজ অফ ডুইং বিজনেস’ বা ব্যবসার সহজ পরিবেশ ছিল না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও অবনতি হয়েছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক সুবিধা এবং মেধার প্রাচুর্যকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত পরিস্থিতি বদলানো হবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।
মন্ত্রী আরও জানান, বাংলার মেধাবী তরুণ-তরুণীদের ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হওয়া বা ‘ব্রেন ড্রেন’ আটকাতে সরকার বদ্ধপরিকর। নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে একটি বিশেষ শিল্প হাব তৈরির প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজ্যের কোথায় কোথায় জমি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই জমি চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু হয়েছে। নতুন জমি নীতির ড্রাফট আইনি ও প্রশাসনিক কয়েকটি ধাপ পেরোলেই দ্রুত ঘোষণা করা হবে। গুন্ডা দমন আইন রাজ্যে দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য কমিয়ে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে বলে সরকার আশা প্রকাশ করেছে।








