ব্যুরো নিউজ, ১৯ই মে ২০২৬ঃ রাজ্যের সরকারি দফতরগুলিতে ব্যয় সংকোচনের জন্য নবান্ন থেকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নির্দেশে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল (Manoj Kumar Agarwal) এই বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সরকারি আধিকারিকদের কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য প্রতিটি সরকারি বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনকে একটি কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করতে হবে। যেখানে তাৎক্ষণিক, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি হস্তক্ষেপ, পরিমাপযোগ্য ফলাফল এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার উল্লেখ থাকবে। এই পরিকল্পনা আগামী ২২ মে-র মধ্যে মুখ্যসচিবের দফতরে জমা দিতে হবে। সরকারি সফর কমাতে, গণপরিবহণ, কারপুলিং এবং ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহার বাড়াতে বলা হয়েছে।
এছাড়াও, সরকারি অফিসে বিদ্যুৎ ও শক্তি সাশ্রয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। পেপারলেস অফিস, ই-অফিস চালু এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা ও পরিবেশবান্ধব অভ্যাসের পাশাপাশি, সরকারি কাজে ভিডিও কনফারেন্স ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-এর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে। ১ জুলাই থেকে প্রতি মাসে অগ্রগতি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশিকাগুলিকে ‘অত্যন্ত জরুরি’ হিসেবে গণ্য করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সমস্ত সচিব ও জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের মতে, ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনিক পরিকাঠামোকে আধুনিক ও দক্ষ করে তোলাই এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য।








