এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে ২২ বছরের শাপমুক্তি, মোহনবাগানকে উড়িয়ে ডুরান্ডের রং লাল-হলুদ

ডুরান্ড কাপ ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে ২২ বছরের শাপমুক্তি ঘটাল ইস্টবেঙ্গল। এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে লাল-হলুদ শিবিরে উৎসব। বিস্তারিত খবর পড়ুন।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৩ আগস্ট ২০২৬: রবিবার, যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনুষ্ঠিত ডুরান্ড কাপের শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে পরাজিত করে দীর্ঘ ২২ বছরের শিরোপা খরা কাটাল ইস্টবেঙ্গল। এই ঐতিহাসিক ডার্বি জয়ের মূল কারিগর ছিলেন লাল-হলুদ ব্রিগেডের তারকা স্ট্রাইকার এডমুন্ড, যিনি একাই হ্যাটট্রিক করে দলের জয় সুনিশ্চিত করেন। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় ইস্টবেঙ্গলকে।

খেলার ১০ মিনিটেই প্রথম গোল করে তারা এগিয়ে যায় এবং এর পরপরই ১২ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে মোহনবাগানকে চাপে ফেলে দেয়। ৩২ মিনিটে মোহনবাগান একটি গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও, প্রথমার্ধের শেষলগ্নে, ৪৪ মিনিটে চতুর্থ গোল করে ইস্টবেঙ্গল তাদের আধিপত্য আরও বাড়িয়ে তোলে। দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান একাধিকবার আক্রমণে উঠে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করে, কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের জমাট রক্ষণ এবং গোলরক্ষকের অনবদ্য পারফরম্যান্স তাদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। এডমুন্ডের দুর্দান্ত ব্যক্তিগত নৈপুণ্য এবং দলের সামগ্রিক বোঝাপড়া ইস্টবেঙ্গলকে এই বহু প্রতীক্ষিত জয় এনে দেয়।

এই জয় শুধু ডুরান্ড কাপের শিরোপাই এনে দেয়নি, বরং ডার্বিতে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অপরাজিত থাকার ধারাও ভঙ্গ করেছে। ম্যাচের গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যা এই ফাইনালের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তোলে। এই জয় লাল-হলুদ সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে এবং ক্লাব ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।