ব্যুরো নিউজ, ৯ জুন ২০২৬ঃ রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এক তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। রাজ্যের একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি সহ মোট ১৮ জনের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা (CISF) প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনার পরই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
নিরাপত্তা হারানো নেতাদের মধ্যে অন্যতম হলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির সুপ্রিমো এবং নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তাঁর ‘Y+’ ক্যাটাগরির কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আদালত থেকে বিশেষ নির্দেশ না থাকায় এবং বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এখন থেকে তিনি সাধারণ বিধায়কের মতোই রাজ্যের নিরাপত্তার উপর নির্ভরশীল থাকবেন। এছাড়াও বিধায়ক কানাই চন্দ্র মণ্ডলের ‘X’ ক্যাটাগরি এবং গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বংশী বদন বর্মনের ‘Y’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তাও বাতিল করা হয়েছে।
এই তালিকায় পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং উত্তরবঙ্গের কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারের একাধিক প্রথম সারির বিজেপি নেতাও রয়েছেন। নন্দীগ্রামের প্রলয় পাল সহ একাধিক মণ্ডল সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের বেশ কয়েকজন নেতার ‘X’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা বলয় তুলে নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে হঠাৎ করে এতজন নেতার নিরাপত্তা প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।







