কল্যাণের মুখের ভাষা যৌনপল্লীর মতো, ছেলেকে জেতাতে পারলেন না কেন? – রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখের ভাষাকে 'যৌনপল্লীর' সঙ্গে তুলনা রচনার। প্রশ্ন তুললেন, 'ছেলেকে জেতাতে পারলেন না কেন?' তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৮ জুন ২০২৬ঃ তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগের পর থেকেই শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লাগাতার আক্রমণের মুখে পড়ছিলেন হুগলির সাংসদ তথা টলিউড অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিলেন রচনা, যা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখের ভাষাকে ‘যৌনপল্লী’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। একইসঙ্গে তিনি কল্যাণের রাজনৈতিক ব্যর্থতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শ্রীরামপুরের সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বারবার হুগলি লোকসভা এলাকায় এসে হস্তক্ষেপ করছেন। কল্যাণকে সরাসরি নিশানা করে তিনি বলেন, “কল্যাণ ব্যানার্জি বারবার নিজের সাংসদীয় এলাকা ছেড়ে এসে আমার এলাকায় মাতব্বরি করে। উনি বলেন আমি নাকি হুগলির ভূগোল জানি না! আচ্ছা, আপনি তো সব জানেন দাদা, আপনি তো হুগলির ভূগোল খুব ভালোই জানেন। তাহলে নিজের ছেলেকে কেন উত্তরপাড়া থেকে জেতাতে পারলেন না?”

অভিনেত্রী আরও অভিযোগ করেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সংসদের ভেতরে মহিলাদের যেভাবে অপমান করেন, তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। মহুয়া মৈত্রকে কল্যাণের পুরনো আক্রমণের প্রসঙ্গ টেনে রচনা বলেন, “পার্লামেন্টের ভিতরে একজন সিনিয়র সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কী ভাষায় কথা বলছেন মহুয়া মৈত্রের সঙ্গে! যে শব্দ ব্যবহার করেছেন তা উত্তর কলকাতার ব্রথেলে (যৌনপল্লী) ব্যবহার করা হয়। সেই শব্দ উনি চিৎকার করে-করে সংসদের মধ্যে ব্যবহার করে আক্রমণ করছেন।” রচনার এই মন্তব্য কল্যাণের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সমীকরণকে টেনে এনে তাঁকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল ছাড়ার পর ‘দিদি নম্বর ১’ থেকেও বাদ পড়েছেন রচনা, এর মাঝেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে চাইলেন তিনি।