শওকত মোল্লার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন, সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপি নেতার

শওকত মোল্লার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস। নির্বাচনী হলফনামায় স্নাতকোত্তর দাবি ভুয়ো বলে অভিযোগ, সিবিআই তদন্তের দাবি।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১৪ জুলাই ২০২৬ঃ দক্ষিণ ২৪ পরগনার এক বিজেপি নেতা তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। অভিজিৎ দাস নামের ওই বিজেপি নেতা জীবনতলা থানা ও বারুইপুর এসপি অফিসে শওকত মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, নির্বাচনী হলফনামায় শওকত মোল্লা নিজেকে স্নাতকোত্তর (রাজস্থানের সিংহানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ) বলে দাবি করলেও, তাঁর এই শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পূর্ণ ভুয়ো। অভিযোগকারী বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস প্রশ্ন তুলেছেন, যিনি বোমা বাঁধার সঙ্গে যুক্ত বলে একদা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মন্তব্য করেছিলেন, তিনি কীভাবে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ সামলাতে সামলাতে নিয়মিত রাজস্থানে গিয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন?

অভিজিৎ দাসের মতে, শওকত মোল্লা খুব বেশি হলে পঞ্চম বা ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। তিনি আরও দাবি করেন যে, শওকত মোল্লা বিভিন্ন সময়ে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন – কখনও উচ্চ মাধ্যমিক, কখনও মাধ্যমিক, কখনও স্নাতক, আর এখন স্নাতকোত্তর। এই অসঙ্গতি তাঁর শিক্ষাগত শংসাপত্রের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতার অভিযোগ, শওকত মোল্লা ভুয়ো শংসাপত্র চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। তিনি এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, শওকত মোল্লা ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক এবং ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় থেকে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন। তৃণমূলের লক্ষ্য ছিল নওশাদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে তাঁকে দাঁড় করিয়ে আসন জেতা, যদিও সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। এই গুরুতর অভিযোগ ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং শাসকদলের অস্বস্তি বাড়িয়েছে।