ব্যুরো নিউজ, ১০ আগস্ট ২০২৬: উৎসবের মরসুমের আগেই মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ। চাল, ডাল, তেল সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের দাম আরও বাড়তে চলেছে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে দেশের প্রথম সারির এফএমসিজি সংস্থাগুলি। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে এই দাম বৃদ্ধির প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা, যার ফলে সাধারণ মানুষের পকেটে আরও চাপ পড়বে।
জানা গেছে, কাঁচামালের ক্রমবর্ধমান মূল্য, অপরিশোধিত তেলের দামের অস্থিরতা এবং প্রবল বর্ষা ও এল নিনো-লা নিনার মতো প্রাকৃতিক প্রভাবের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এর আগে জুন ত্রৈমাসিকে বিভিন্ন পণ্যের দাম ২ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এবার সেপ্টেম্বরেও একই প্রবণতা দেখা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মুনাফার উপর চাপ কমাতে সংস্থাগুলি শুধু দাম বৃদ্ধিই নয়, ‘শ্রিন্কফ্লেশন’-এর পথও অবলম্বন করতে পারে। যেমন, ব্রিটানিয়ার মতো সংস্থাগুলি বিস্কুটের দাম না বাড়িয়ে প্যাকেটের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে।অর্থাৎ, একই দামে কম পণ্য পাওয়া যাবে।
গোদরেজ কনজিউমার প্রোডাক্টস, ডাবর ইন্ডিয়া, হিন্দুস্তান ইউনিলিভার এবং টাটা কনজিউমার প্রোডাক্টসের মতো বড় সংস্থাগুলিও পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কাঁচামালের দামের চাপ বজায় থাকলে তারাও আগামী দিনে পণ্যের দাম বাড়াতে বাধ্য হতে পারে। সব মিলিয়ে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে গিয়ে আমজনতার পকেট থেকে অতিরিক্ত অর্থ খসতে চলেছে।








