ব্যুরো নিউজ, ২ নভেম্বর ২০২৬: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন বর্তমান পোপ চতুর্দশ লিও।
বিশ্বের ইতিহাসে তিনিই প্রথম পোপ যিনি কোনো দেশের সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিলেন। ভ্যাটিকানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিকাগোতে ডাকযোগে নিজের ভোট জমা দিয়েছেন তিনি। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে পোপ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের অংশগ্রহণের অধিকার ও কর্তব্যের প্রতি তাঁর গভীর আস্থা প্রকাশ করেছেন।
ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ মাইকেল ওয়ালস, যিনি পোপের উপর একটি বই লিখেছেন, তিনি মার্কিন সংবাদ সংস্থা সিএনএনকে জানিয়েছেন যে এর আগে কোনো পোপের গণতান্ত্রিক নির্বাচনে অংশ নেওয়ার নজির নেই। ভ্যাটিকানের প্রেস অফিস আরও জানিয়েছে যে পোপ তাঁর নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য অধিকার প্রয়োগ করে ভোট দিয়েছেন। এর আগে পেরুতে বসবাসের সময়েও তিনি ভোট দিয়েছিলেন। প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে তিনি মিশনারি যাজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
জানা গেছে, পোপ তাঁর আসল নাম, রবার্ট ফ্রান্সিস প্রিভোস্ট, ব্যবহার করেই শিকাগোতে ভোট দিয়েছেন। এই ঘটনা বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
মার্কিন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প এবং ভ্যাটিকানের পোপের মধ্যে এক তীব্র রাজনৈতিক ও আদর্শগত মতপার্থক্য আছে। ইরানের সাথে যুদ্ধ থেকে আমেরিকার অভিবাসন নীতি সমস্ত বিষয়েই তাঁদের সংঘাত সামনে এসেছে।
আমেরিকায় দু’টি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাঝখানের ‘মিডটার্ম ইলেকশন’-এর গুরুত্ব নেহাত সামান্য নয়। প্রেসিডেন্ট হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য এটি একটি অগ্নিপরীক্ষা। ২০১৮ সালের তাঁর প্রথম পর্বের প্রেসিডেন্সির মিডটার্ম ভোটে ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল আগের চেয়ে হাউসে ৪০টা আসন কম পায়, কিন্তু সেনেটে তারা দুটি আসন বেশি পেয়েছিল।
এবারের নির্বাচনের ফলাফলের দিকে গোটা আন্তর্জাতিক মহল নজর রাখছে।








