চাঁদা জুলুম আর নয়: জিরো টলারেন্স নীতিতে পুলিশ

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে কালীপুজোর চাঁদা নিয়ে বচসার জেরে এক জল বিক্রেতাকে মারধরের অভিযোগ। আহত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, থানায় অভিযোগ দায়ের।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৩ নভেম্বর ২০২৬;

চাঁদার জুলুম রুখতে কড়া কলকাতা পুলিশ! কালীপুজোর আগেই চালু টোল-ফ্রি নম্বর, WhatsApp-এও জানানো যাবে অভিযোগ

পুজো মানেই আনন্দ, উৎসব, আলো আর মানুষের মিলন। কিন্তু সেই উৎসবের আড়ালে জোর করে চাঁদা আদায়, ব্যবসায়ীদের চাপ দেওয়া কিংবা সাধারণ মানুষের পথ আটকে টাকা দাবি করার অভিযোগ নতুন নয়। এবার সেই চাঁদার জুলুম রুখতে আরও সক্রিয় কলকাতা পুলিশ।

কালীপুজোর আগে শহরের পুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে সমন্বয় বৈঠক করেছে কলকাতা পুলিশ। পুজো মণ্ডপের নিরাপত্তা, দর্শনার্থীদের যাতায়াত, শব্দবিধি এবং আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলার পাশাপাশি জোর করে চাঁদা আদায়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কেউ যদি জোর করে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করে, তাহলে সাধারণ মানুষ সরাসরি লালবাজারের কন্ট্রোল রুমে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

শুধু ফোন নয়, WhatsApp-এর মাধ্যমেও অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

অভিযোগ জানানোর জন্য
টোল-ফ্রি নম্বর
1800-345-5678
WhatsApp নম্বর
94326-24365

জোর করে চাঁদা দাবি, হুমকি, রাস্তা আটকে টাকা আদায় কিংবা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চাপ সৃষ্টি করার মতো ঘটনা ঘটলে দ্রুত অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।
উৎসবের নামে সাধারণ মানুষের উপর আর্থিক চাপ বা ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। পুজো কমিটির চাঁদা সংগ্রহ আর জোর করে টাকা আদায়—দুটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।

এবার প্রশ্ন একটাই—উৎসবের আনন্দ কি চাঁদার জুলুমের কাছে হার মানবে, নাকি সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে নিজের অধিকার রক্ষা করতে পারবেন?
কলকাতা পুলিশের এই উদ্যোগ বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই নজর থাকবে শহরবাসীর।