ব্যুরো নিউজ, ৪ নভেম্বর ২০২৬: কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের দাপট, পালটা চাল ট্রাম্পের!
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে ডেমোক্র্যাটরা। ফলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। তবে সহজে যে তিনি বিরোধীদের রাস্তা ছেড়ে দেবেন না, তার ইঙ্গিতও স্পষ্ট। তাঁর হাতে রয়েছে প্রেসিডেন্টের বিশেষ ক্ষমতা—‘ভেটো’। ট্রাম্পের কথায়, প্রয়োজনে ডেমোক্র্যাটদের পাঠানো একের পর এক বিলে ভেটো প্রয়োগ করবেন তিনি।
নির্বাচনের আগে CBS News-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ভেটোকে তাঁর ‘চূড়ান্ত ক্ষমতা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। এমনকী ‘মিস্টার ভেটো’ নামেও আপত্তি জানাননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীরা এমন কোনও বিল পাঠালে যা তাঁর পছন্দ নয়, তা আটকে দেবেন। শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে ফিরতে বাধ্য হবেন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর Truth Social-এ ‘VETO’ লিখেও নিজের অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
কিন্তু কী এই ভেটো ক্ষমতা? মার্কিন সংবিধানের Article I, Section 7 অনুযায়ী, কংগ্রেসের দুই কক্ষে পাস হওয়া কোনও বিল প্রেসিডেন্টের কাছে গেলে তিনি তাতে সই করতে পারেন, অথবা আপত্তি জানিয়ে কংগ্রেসে ফেরত পাঠাতে পারেন। তবে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত নয়। প্রতিনিধি পরিষদ ও সেনেট—উভয় কক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য সমর্থন জানালে ভেটো অগ্রাহ্য করে বিলটি আইনে পরিণত হতে পারে।
এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট ১০ দিনের মধ্যে বিল ফেরত না দিলে, কংগ্রেস অধিবেশনে থাকলে সেটি সাধারণত আইনে পরিণত হয়। কিন্তু অধিবেশন মুলতুবি হয়ে গেলে ‘পকেট ভেটো’-র মাধ্যমে বিল আটকে যেতে পারে।
অর্থাৎ, ট্রাম্পের হাতে শক্তিশালী সাংবিধানিক অস্ত্র থাকলেও ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে সমঝোতা এবং কংগ্রেসের পালটা ক্ষমতাই ঠিক করবে আগামী দিনের মার্কিন রাজনীতির গতিপথ।








