ব্যুরো নিউজ, ৬ নভেম্বর ২০২৬: দীপাবলি মানেই আলোর উৎসব, অন্ধকারের উপর আলোর জয়, অশুভের উপর শুভ শক্তির জয়। এই সময় মা লক্ষ্মীকে ঘরে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়।
বাস্তুশাস্ত্র মতে, ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, উজ্জ্বল ও সুবিন্যস্ত রাখলে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়। এই দীপাবলিতে আপনার ঘরকে আরও আকর্ষণীয় ও শান্তিপূর্ণ করে তুলতে কিছু সহজ বাস্তু টিপস মেনে চলতে পারেন।
বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারকে বাস্তুশাস্ত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। এই স্থানটিকে সবসময় পরিষ্কার, বাধামুক্ত এবং সুন্দর রাখুন। প্রবেশদ্বারের সামনে জুতো বা ভারী জিনিস রাখবেন না। ভাঙা বা শুকনো গাছ সরিয়ে ফেলুন। দরজার ডানদিকে স্বস্তিক বা ওম চিহ্ন আঁকতে পারেন এবং প্রবেশপথে রঙিন আলপনা দিয়ে মা লক্ষ্মীকে আমন্ত্রণ জানান।
দীপাবলির আগে বাড়িঘর পরিষ্কার করা এক ঐতিহ্য। এই সময় পুরনো, ভাঙা জিনিসপত্র, নষ্ট হয়ে যাওয়া সজ্জার সামগ্রী বা অকেজো ইলেক্ট্রনিক্স ফেলে দিন। আলমারি, স্টোরেজ এবং অব্যবহৃত কোণগুলি গুছিয়ে নিন। বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণটি বিশেষভাবে পরিষ্কার ও আলো ঝলমলে রাখুন।
প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, দীপাবলিতে প্রদীপ জ্বালানো শুভ। বাস্তু মতে, প্রদীপের সঠিক স্থান নির্ধারণ করলে তা সৌভাগ্য, সুস্বাস্থ্য ও ইতিবাচক শক্তি বয়ে আনে। বাড়ির চার কোণে (উত্তর, পূর্ব, দক্ষিণ, পশ্চিম) প্রদীপ জ্বালান। বাড়ির কেন্দ্রে এবং ঠাকুরঘরে অবশ্যই প্রদীপ রাখুন। উত্তর দিকে প্রদীপ জ্বালালে ধনপ্রাপ্তি হয় এবং পূর্ব দিকে জ্বালালে সুস্বাস্থ্য লাভ করা যায়।
এছাড়াও, দীপাবলিতে বাড়ির কেন্দ্রে (ব্রহ্মস্থান) জল, একটি জ্বলন্ত প্রদীপ, তাজা ফুল বা পাতা, সাদা পাথর এবং একটি ধাতব মুদ্রা রেখে পঞ্চভূতের প্রতীক স্থাপন করতে পারেন। এটি বাড়িতে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
এই সহজ নিয়মগুলি মেনে চললে আপনার দীপাবলি আরও আনন্দময় ও সমৃদ্ধ হবে।










