ব্যুরো নিউজ, ২৩ মে ২০২৬ঃ টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে ফেডারেশন রাজনীতি এবং স্বরূপ বিশ্বাসের প্রভাব নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ফেডারেশনের তথাকথিত ‘একুশে আইন’-এর প্রতিবাদ করায় তাঁকে কার্যত ‘ব্যানড’ করে দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে তাঁর কেরিয়ার ও প্রযোজনা সংস্থা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছিল। পরিস্থিতি এমন হয়েছিল যে, বাড়ি বিক্রি করার কথাও ভাবতে হয়েছিল।
পরমব্রত জানিয়েছেন, তিনি বিশ্বাস করতেন যে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ফের ক্ষমতায় এলে স্বরূপ বিশ্বাসের নিয়ন্ত্রণ এবং ইন্ডাস্ট্রির ‘ব্যান কালচার’-এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এমনকি, স্বরূপ বিশ্বাসকে নির্বাচনে প্রার্থী করার জন্য তিনি কয়েকজন প্রযোজককে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠিও লিখিয়েছিলেন। অভিনেতার কথায়, নিজের পেশা ও জীবিকা টিকিয়ে রাখার জন্য তাঁকে ‘সেটেলমেন্ট’ করতে হয়েছিল, যা তাঁকে ভিতর থেকে অপমানিত করেছে।
তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, অরূপ বিশ্বাস এই বিষয়ে বরাবরই দূরত্ব রেখে চলতেন এবং বিষয়টি মূলত তাঁর ভাইয়ের হাতেই ছেড়ে দিতেন। অভিনেতা আরও বলেন, তিনি কখনও সরাসরি তৃণমূলের রাজনীতি করেননি, বরং কাজ বাঁচানোর তাগিদেই রাজনৈতিক ক্ষমতার অন্দরমহলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন। তাঁর এই বক্তব্য টলিউডের অন্দরে দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভকে আবারও উসকে দিয়েছে। পরমব্রত সাক্ষাৎকারের শেষে বলেন, তিনি অপমান, সতীর্থদের ফেলে আসার দুঃখ এবং টেকনিশিয়ানদের সঙ্গে কাজ না করতে পারার কষ্ট কোনোদিন ভুলবেন না। এই ঘটনা আবারও টলিউডের ক্ষমতা কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।








