ব্যুরো নিউজ, ৬ নভেম্বর ২০২৬: রাজ্যের প্রাচীন মন্দির ও মঠগুলির সংস্কারের জন্য এক হাজার কোটি টাকার এক বিশাল প্রকল্প ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
শুক্রবার নদিয়ার আরংঘাটার শতদল ক্লাবের কালীপুজো উদ্বোধনে এসে তিনি এই ‘তীর্থক্ষেত্র সার্কিট’ প্রকল্পের কথা জানান। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা শতাব্দী প্রাচীন দেবোত্তর, ট্রাস্ট ও সার্বজনীন মন্দিরগুলির আধুনিকীকরণ ও সংস্কার করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী দুই বছর ধরে এই হাজার কোটি টাকা ধাপে ধাপে খরচ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাষণে জগদ্ধাত্রী পুজো ও রাস পূর্ণিমাকে ঘিরে রাজ্য সরকারের বিশেষ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জগদ্ধাত্রী পুজোয় চন্দননগর ও কৃষ্ণনগরকে বিশেষভাবে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রাস পূর্ণিমা উপলক্ষে নবদ্বীপ, শান্তিপুর ও কোচবিহারকেও নতুন রূপে সাজানো হবে। তিনি আগামী ২২ তারিখ নবদ্বীপে রাস পূর্ণিমার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলেও জানান। এই বছর গঙ্গাসাগর মেলাকেও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই ‘তীর্থক্ষেত্র সার্কিট’ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেখানো পথে দেশের বিভিন্ন তীর্থস্থানগুলির সংস্কারের মতো রাজ্যের প্রাচীন মন্দিরগুলিকেও নতুন জীবন দেওয়া। তিনি কেদার ধাম, বদ্রীধাম, কাশী-বেনারস ও উজ্জ্বয়িনী মহাকালে হওয়া উন্নয়নের উদাহরণও তুলে ধরেন।
পাশাপাশি, তিনি বিগত সরকারের আমলে নারী সুরক্ষা ও দুর্গাপুজোর বিসর্জন সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়েও আক্রমণ শানান। তাঁর দাবি, বর্তমানে রাজ্যে পুজোর সংখ্যা প্রায় তিনগুণ বেড়েছে এবং কোথাও পুজো করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে না।







