ব্যুরো নিউজ, ১৪ জুন ২০২৬ : বর্ষার আগমন মানেই প্রকৃতির এক নতুন রূপ। আর এই সময়ে যারা শহরের কোলাহল থেকে দূরে প্রকৃতির কোলে শান্তি খুঁজছেন, তাদের জন্য আদর্শ গন্তব্য হতে পারে ঝাড়গ্রামের ঢাঙিকুসুম। কলকাতার মাত্র কয়েক ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত এই অফবিট পর্যটন কেন্দ্রটি তার পাহাড়, ঘন জঙ্গল এবং মন মুগ্ধ করা জলপ্রপাতের জন্য পরিচিত। একসময় মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত হলেও, বর্তমানে ঢাঙিকুসুম একটি শান্ত ও মনোরম আদিবাসী গ্রাম, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এক স্বর্গরাজ্য।
বর্ষাকালে ঢাঙিকুসুম জলপ্রপাত তার পূর্ণ যৌবনে ফিরে আসে, যার রূপ পর্যটকদের মুগ্ধ করে তোলে। শাল ও পলাশের জঙ্গলে পাখিদের কলতান এবং চারপাশের সবুজ প্রকৃতি মনকে প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে। এখানে রাত্রিযাপনের জন্য ইকো ট্যুরিজম রিসর্ট এবং হোমস্টে-র ব্যবস্থা রয়েছে। জঙ্গলের গভীরেও থাকার সুযোগ পাওয়া যায়। ঢাঙিকুসুম থেকে সহজেই ঘাঘরা জলপ্রপাত, তারাফেনি লেক, খণ্ডরানি লেক, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ি, সাবিত্রী মন্দির এবং জঙ্গলমহল জুলজিক্যাল পার্ক ঘুরে আসা যায়। কীভাবে পৌঁছাবেন?
হাওড়া বা শালবনি থেকে ট্রেনে ঝাড়গ্রাম স্টেশনে নেমে সেখান থেকে সড়কপথে বেলপাহাড়ি হয়ে প্রায় ৫২ কিলোমিটার দূরে ঢাঙিকুসুম পৌঁছানো যায়। ঝাড়গ্রাম স্টেশন বা বেলপাহাড়ি থেকে স্থানীয় গাড়ি বা জিপ ভাড়া করে এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে পৌঁছে যেতে পারেন। হাতে দু-একদিনের ছুটি থাকলেই এই অফবিট গন্তব্যে প্রকৃতির সান্নিধ্য উপভোগ করা সম্ভব।








