ব্যুরো নিউজ, ৬ নভেম্বর ২০২৬: মা লক্ষ্মী বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে পদ্মের উপর আসীন এক মহা রূপবতী এক দেবী প্রতিমার। কিন্তু দেবী বিষ্ণুপ্রিয়া ঠিক কি কারণে পদ্মাসনা? পুরাণ বা শাস্ত্র এ বিষয়ে কী বলছে, তা জেনে নেওয়া যাক।
শাস্ত্র অনুসারে, দেবী লক্ষ্মী আসলে নারায়ণের সঙ্গে ক্ষীরোদ সাগরে মহানাগের উপর বিরাজ করেন। সনাতন ধর্মে আবার লক্ষ্মীর বিচরণের জায়গা রয়েছে মোট পাঁচটি। তবে এর মাঝে পদ্মের উপস্থিতি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
সনাতনে পদ্ম একান্তভাবেই নারীর প্রতীক। তাই দেবীকে পদ্মাসনে বিরাজ করতে দেখা যায়। শুধু তা-ই নয়, তাঁর পুজোয় পদ্ম ফুল এক্কেবারে আবশ্যিক। সমুদ্র মন্থনের সময় দেবী লক্ষ্মী পদ্ম ফুলের উপর অধিষ্ঠিতা হয়েই আবির্ভূত হয়েছিলেন। এই কারণেই তো তাঁকে ‘কমলাসনা’ বলা হয়।
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণেও এর উল্লেখ করে বলা হয়েছে,
‘নমঃ কমলবাসিন্যৈ নারায়ণ্যৈ নমো নমঃ।
কৃষ্ণপ্রিয়ায়ৈ সারায়ৈ পদ্মায়ৈ চ নমো নমঃ।।’
অর্থাৎ, নারায়ণের প্রিয়া তথা পদ্মবাসিনী দেবীকে শতকোটি প্রণাম। লক্ষ্মী দেবী যে কেবল পদ্মের উপর বসে থাকেন, তা কিন্তু নয়। তিনি স্বয়ং পদ্মপত্র। তাই তাঁর এই আসন কেবল অলঙ্কার নয়, বরং তাঁরই এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই প্রতীকী অর্থই দেবীর মহিমাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।










