কলকাতার কাছেই বর্ষায় অফবিট বাঁকুড়ার শিউলিবনা ও বিহারীনাথ: দু’দিনের ছুটিতে আদর্শ ভ্রমণ

বর্ষার ছুটিতে কলকাতার কাছেই খুঁজছেন পাহাড়-জঙ্গল? বাঁকুড়ার শিউলিবনা ও বিহারীনাথ হতে পারে আপনার আদর্শ গন্তব্য। জানুন এই অফবিট স্থানগুলির বিস্তারিত।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১৮ জুন ২০২৬ঃ কলকাতার কাছেই বর্ষার ছুটিতে যারা পাহাড়-জঙ্গলের স্বাদ নিতে চাইছেন, তাদের জন্য বাঁকুড়া জেলার দুটি অফবিট স্থান শিউলিবনা ও বিহারীনাথ হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। হাতে থাকা দু’দিনের ছুটিতে দৈনন্দিন জীবনের কোলাহল থেকে দূরে প্রকৃতির মাঝে নিজেকে নতুন করে খুঁজে পাওয়ার সুযোগ মিলবে এখানে। বর্ষার মরসুমে নির্জনতা প্রেমীদের জন্য এই স্থানগুলি উপযুক্ত। বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড় সংলগ্ন শিউলিবনা এখনও পর্যটকদের ভিড় থেকে অনেকটাই দূরে। এই নির্জন স্থানটি আপনাকে দেবে এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।

এখানে আপনি আদিবাসী গ্রামে ঘুরে বেড়াতে পারেন, পাহাড়ের চূড়া পর্যন্ত জঙ্গল ট্রেক করতে পারেন, অথবা স্থানীয় মন্দির ও অখ্যাত পটচিত্র শিল্পীদের গ্রামে যেতে পারেন। জঙ্গলের মধ্যে কিছু থাকার জায়গাও মিলবে। শিউলিবনার আশপাশে একাধিক আদিবাসী গ্রাম রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হল ভরতপুর। ভরতপুর তার পটচিত্রের জন্য বিখ্যাত। এখানকার মাটির বা ইটের বাড়ির দেওয়ালে গ্রামবাসীদের হাতে আঁকা শৈল্পিক নিদর্শন মুগ্ধ করবে আপনাকে। শিউলিবনা থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে গাংদুয়া জলাধারও ঘুরে আসা যায়।

অন্যদিকে, বাঁকুড়া জেলার আরও একটি সুন্দর অফবিট স্থান হল বিহারীনাথ পাহাড়। অনেকে এটিকে ‘পশ্চিমবঙ্গের আরাকু ভ্যালি’ নামেও ডাকেন। বাঁকুড়া শহর থেকে ৫৭ কিমি এবং রানিগঞ্জ থেকে ২৪ কিমি দূরে অবস্থিত এই শান্ত পরিবেশ, প্রাচীন শিব মন্দির এবং ঘন শাল জঙ্গলে ট্রেকিংয়ের জন্য আদর্শ। কীভাবে যাবেন? শিউলিবনা বা বিহারীনাথ পৌঁছাতে হলে প্রথমে ট্রেনে আসানসোল, রানিগঞ্জ বা বাঁকুড়া স্টেশনে আসতে হবে। এরপর সেখান থেকে গাড়ি বা বাসে সহজেই আপনার গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারবেন। অল্প খরচে এবং কম পরিশ্রমে এই দুটি স্থান আপনাকে বর্ষার এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা উপহার দেবে।