ব্যুরো নিউজ, ১১ জুন ২০২৬ : কেন্দ্রীয় সরকার ক্যানসার চিকিৎসার অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্যবৃদ্ধিতে অনুমোদন দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় জোগান অপ্রতুল হওয়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে দেশজুড়ে ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসা আরও জটিল পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিভিন্ন হাসপাতাল এবং ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্রগুলিতে জীবনদায়ী ওষুধের পর্যাপ্ত জোগান নেই বলেই খবর।
বিশেষত, কেমোথেরাপির মতো গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের অভাবে বহু রোগীর চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মূল্যবৃদ্ধির অনুমোদন সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। অত্যাবশ্যকীয় জীবনদায়ী ওষুধের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে কেন্দ্রের বিশেষ অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে যাদের আর্থিক সঙ্গতি রয়েছে, তারা হয়তো বেশি অর্থের বিনিময়েও উন্নততর চিকিৎসা পরিষেবা পেতে পারবেন। তবে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের ক্যানসার আক্রান্তদের পকেটে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে। ফুসফুস, ওভারি, সার্ভিক্স, মাথা ও ঘাড়, ব্লাডার এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত সিসপ্লাটিন ও কার্বোপ্লাটিন গ্রুপের ওষুধের বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, অথচ জোগান নেই।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মূল্যবৃদ্ধি ক্যানসার চিকিৎসার সামগ্রিক খরচ আরও বাড়িয়ে দেবে, যা বহু রোগীর নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে। একদিকে ওষুধের অভাব, অন্যদিকে দাম বৃদ্ধি – এই দুইয়ের জেরে ক্যানসার আক্রান্তদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ বাড়ছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত জনস্বাস্থ্যের উপর কী প্রভাব ফেলে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে দেশের আপামর জনসাধারণ।







