উচ্চতর ইপিএস পেনশনের দাবিতে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ লক্ষাধিক অবসরপ্রাপ্ত কর্মী, সুরাহার আশায় দেশজুড়ে নজর

উচ্চতর ইপিএস পেনশনের দাবিতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হলেন লক্ষাধিক অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। প্রশাসনিক জটিলতা ও বৈষম্যের অভিযোগ তুলে দ্রুত সুরাহার আবেদন।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৭ অক্টোবর ২০২৬:  হাজার হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর উচ্চতর এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম (EPS Pension) পাওয়ার দীর্ঘদিনের দাবি এবার পৌঁছেছে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে। ন্যাশনাল কনফেডারেশন অফ পেনশনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনস (NCPA) রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছে, কারণ প্রশাসনিক জটিলতা ও দেরির কারণে বহু কর্মী সামান্য মাসিক পেনশন নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এই আবেদন লক্ষাধিক পেনশনভোগীর মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

গত ২৩শে অক্টোবর একটি স্মারকলিপিতে NCPA রাষ্ট্রপতিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক এবং কর্মচারী ভবিষ্য তহবিল সংস্থা (EPFO)-কে বিতর্কিত ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫-এর সার্কুলারটি প্রত্যাহার, অপ্রয়োজনীয় মামলা বন্ধ এবং বিচারাধীন দাবিগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিতে অনুরোধ করেছে। প্রশাসনিক বিলম্বের কারণে জমা হওয়া শাস্তিমূলক সুদ থেকেও অব্যাহতি চেয়েছে সংগঠনটি। NCPA-এর অভিযোগ, অব্যাহতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলির পিএফ ট্রাস্টে পুরোনো বেতনসীমার নিয়মের কারণে উচ্চতর ইপিএস পেনশনের আবেদন আটকে দেওয়া হচ্ছে, যা কর্মীদের আইনসিদ্ধ অধিকার সীমিত করছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্মীরা উচ্চতর পেনশন পেতে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। সংগঠনটি তাদের দাবির সমর্থনে ২০১৬ সালের আর.সি. গুপ্তা মামলা এবং ২০২২ সালের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের মতো আইনি নজির উল্লেখ করেছে। সংগঠনটি সংবিধানের ১৪ ও ২১ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গও তুলেছে।

যদিও এই আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কুলার প্রত্যাহার বা মুলতুবি আবেদন অনুমোদন করবে না, তবুও এটি পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক জোরালো পদক্ষেপ। প্রতিটি আবেদনের সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য নিয়ম ও আদালতের নির্দেশের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।