ব্যুরো নিউজ, ২১ জুন ২০২৬ঃ ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য অবজারভার’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, মেয়াদ শেষের আগেই তিনি ইস্তফা দিতে পারেন। আগামী সোমবারই তাঁর ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা যাচ্ছে, স্টারমারের কার্যকলাপে দলের শতাধিক সাংসদ অসন্তুষ্ট। এই ব্যাপক অসন্তোষের জেরেই তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরতে হতে পারে।
যদিও রয়টর্সের রিপোর্ট সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে এই দাবি নাকচ করেছে, তবে এটাও জানানো হয়েছে যে, স্টারমারের লেবার পার্টির শতাধিক সাংসদ প্রকাশ্যে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছেন। এই ক্ষুব্ধ এমপিরা হাউস অফ কমন্সে দলের মোট আসনের প্রায় এক-চতুর্থাংশের প্রতিনিধিত্ব করেন। ফলে এই ক্ষোভ মাথাচাড়া দেওয়ায় স্টারমারের বিদায় এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তিনি পদত্যাগ করলে গত ১০ বছরে স্টারমার হবেন ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী যিনি মেয়াদ পূরণের আগে পদত্যাগ করবেন।
২০২৪ সালে লেবার পার্টির বিরাট জয়ের নেপথ্যে স্টারমারের ভূমিকা থাকলেও, প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর থেকেই তাঁর জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করে। অসংখ্য বিতর্ক, নীতিবদল এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতা তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। গত শুক্রবার উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের জয় স্টারমারের উপর চাপ আরও বাড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রিটেনের সংসদীয় ব্যবস্থাই ঘন ঘন প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের অন্যতম কারণ। সেখানে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হন না, বরং দলের সাংসদদের সমর্থনে পদে থাকেন। সাংসদরা সমর্থন তুলে নিলে নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।







