ব্যুরো নিউজ, ১৪ জুলাই ২০২৬ঃ দলবদল করে নতুন সংসদ ভবনে পৃথক কার্যালয় ও আসন পেলেন ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)-তে যোগ দেওয়া তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদরা। তাঁদের এই দলবদলের দৌলতেই এই প্রথম সংসদে পৃথক দল হিসেবে লোকসভায় আলাদা আসনে বসার সুযোগ পেল এনসিপিআই। সোমবার বিকেলে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকের পর এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ তথা প্রবীণ নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে সুদীপের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরেক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও।
সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ই এনসিপিআইয়ের তরফে লোকসভার দলনেতা হচ্ছেন। তৃণমূলে দীর্ঘদিন ধরে এই পদ সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর, যা এনসিপিআইয়ের জন্য একটি বড় সুবিধা। এছাড়া, কাকলি ঘোষ দস্তিদার তৃণমূলে থাকাকালীন কয়েকদিনের জন্য লোকসভার মুখ্য সচেতক পদে ছিলেন। সূত্রের খবর, এনসিপিআইও তাঁকেই মুখ্য সচেতকের পদে বসাচ্ছে। উপ দলনেতা হিসেবে রয়েছেন বীরভূমের চারবারের সাংসদ শতাব্দী রায়ের নাম। এই তিন অভিজ্ঞ নেতা এনসিপিআইয়ের সংসদীয় দলকে নেতৃত্ব দেবেন। আগামী ২০ জুলাই থেকে সংসদে বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে। তার আগে এই দলবদল এবং নতুন পদপ্রাপ্তি রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশেষত, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে। এনসিপিআইয়ের এই নতুন বিন্যাস সংসদে তাদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের কণ্ঠস্বর আরও জোরালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপের ফলে জাতীয় রাজনীতিতে এনসিপিআইয়ের ভূমিকা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে এবং তাদের রাজনৈতিক কৌশল নতুন মাত্রা পাবে।








