ব্যুরো নিউজ, ২৬ জুন ২০২৬ : রাজ্যে শিল্পায়নের নতুন দিশা দেখাতে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম শিল্প সম্মেলনের আয়োজন করতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরকার।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমানার বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে, নবান্নের লক্ষ্য এবার কেবল ‘এমওইউ’ সই নয়, বরং নিশ্চিত ও বড় বিনিয়োগের ঘোষণা, যা আগামী এক বছরের মধ্যে বাংলায় কাজ শুরু করবে। চলতি অর্থবর্ষের বাজেটে ইতিমধ্যেই ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে একটি নতুন ইনসেনটিভ পলিসি ঘোষণা করা হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, সেপ্টেম্বর মাসের এই সম্মেলন থেকেই শ্রম-নিবিড় মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলিকে আর্থিক উৎসাহ দেওয়া শুরু হবে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, অতীতে বাতিল হওয়া ২০ হাজার কোটি টাকার ‘শিল্প ভর্তুকি ও আর্থিক সুবিধা প্রকল্প’ পুনরায় চালু করতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও, ভর্তুকির পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে। পর্যবেক্ষকদের মতে, শিল্প ও কর্মসংস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষের হতাশা দূর করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিশ্রুতির পর সরকারের ওপর প্রত্যাশা অনেক। সেই আস্থা ফেরাতে দিল্লিও নবান্নকে সরাসরি সাহায্য করছে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, শিল্পোন্নয়ন নিগম ও শিল্প দফতরে বেশ কিছু বড় প্রস্তাব জমা পড়েছে, যা শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় ও সচিব বন্দনা যাদব কঠোরভাবে পর্যালোচনা করছেন। দ্রুত কাজ শুরুর ক্ষমতা বিচার করে ৩-৪টি পোক্ত প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হচ্ছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলার পুরনো নেতিবাচক ভাবমূর্তি কাটাতে সিঙ্গল-উইন্ডো ব্যবস্থা, ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন ফ্রেমওয়ার্ক ও আর্বান ল্যান্ড সিলিং আইনের পর্যালোচনার মতো পদক্ষেপের রূপরেখা দিয়েছে সরকার।








