ব্যুরো নিউজ, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মুকুন্দপুরে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। এই ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে সম্ভাব্য জোটের পথ আরও সুগম হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুকুন্দপুর এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে এক সংঘর্ষে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
তৃণমূলের অভিযোগ, যাদবপুর এলাকায় তাদের বেশ কয়েকটি কার্যালয় বিজেপি দখল করেছে। এর প্রতিবাদে তৃণমূল কর্মীরা মিছিল বের করলে বিজেপি কর্মীরা তাদের উপর চড়াও হয়। এই হামলায় প্রাক্তন আইপিএস ও বিধায়ক হুমায়ুন কবীর এবং আইটি সেলের নেত্রী উপাসনা চৌধুরী সহ বেশ কয়েকজন মমতা তৃণমূলের কর্মী গুরুতর আহত হন। শুভঙ্কর সরকার এই হামলাকে ‘বর্বরোচিত’ আখ্যা দিয়ে কড়া ভাষায় বিজেপির সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই ধরনের হামলার জবাবে সমস্ত গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তাঁর এই মন্তব্য বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং দুই দলের মধ্যে ‘বন্ধুত্বে’র ইঙ্গিত বহন করছে।
জানা গেছে, বুধবার তিনি নিজে কালীঘাট তৃণমূলের আহত কর্মীদের দেখতে যাবেন, যা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের পর থেকেই প্রদেশ কংগ্রেস এবং মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যেকার দূরত্ব কমতে শুরু করেছিল। মুকুন্দপুরের এই ঘটনা সেই সম্পর্ককে আরও মজবুত করল এবং আগামী দিনে দুই দলের মধ্যে জোটের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই পদক্ষেপগুলি রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে এবং আগামী দিনে আরও অনেক নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।








